হাফেজ মাওলানা মোহাম্মদ এনামুল হক আল মুজাদ্দেদী|||লাল কুঠি পাক দরবার শরিফ,ময়মনসিংহ
Автор: পীর.টিভি. PEER TV.
Загружено: 2026-02-03
Просмотров: 350
Описание:
হযরত খাজা বাবা শাহ শম্ভুগঞ্জী (রঃ) পবিত্র বেলাদত শরীফ আজ ২২ শে পৌষ🙏🙏🙏🙏🙏
এই মহান আউলিয়ার পবিত্র বেলাদত শরীফের উসিলায় আল্লাহ পাক আমাদের ক্ষমা করুন এবং আমাদের মনের নেক বাসনাগুলো পূরণ করুন।আমিন।
আখেরী ইমাম খাজা বাবা শাহ শম্ভুগঞ্জী(রাঃ) এর নাম মোবারক ও পূর্বাভাষ
------------------------------------------------------------------
মহান জিন্দাপীর দস্তগীর হযরত শাহ এনায়েতপুরী(রহঃ)-এর প্রথম পুত্র জন্ম গ্রহন করার পর তিনি তদীয় মহান মুর্শিদ কেবলাজান হযরত সৈয়দ ওয়াজেদ আলী মেহেদিবাগী (রহঃ)-এর পবিত্র দরবার কলিকাতার মেহেদিবাগস্থ গোবরা শরীফে ছুটে গেলেন।হযরত সৈয়দ হুজুর তাঁর আগত পুত্রের নামকরণ করলেন "খাজা মুহাম্মদ হাশেম উদ্দীন (রহঃ)"।মহান সাহেবে কাশফ হযরত সৈয়দ ওয়াজেদ আলী মেহেদিবাগী (রহঃ) পর মুহুর্তেই ফরমালেন,"বাবা ইউনুছ! এর পর তোমার একটি মহান পুত্র রত্ন জন্ম গ্রহন করবে।আমি তখন দুনিয়ায় থাকি কিনা! তাই আজকেই তাঁর নাম রেখে দিলাম *খাজা মুহাম্মদ ছাইফুদ্দীন*।এরপর তিনি আরও ফরমালেন "বাবা ইউনুছ!তুমি জেনে রাখো তোমার এ পুত্র রত্নটি বহুবিধ খোদাপ্রদত্ত গুণের অধিকারী হবে।"
এমনি ভাবে দুনিয়াতে আসার পূর্বেই তার নাম মোবারক রাখা হয় '''খাজা ছাইফুদ্দীন বা ধর্মের তলোয়ার'''।তিনি মাদারজাদ(জন্মগত) অলি আল্লাহ।তিনি যে অসাধারণ আধ্যাত্মিক শক্তির অধিকারী হবেন তা তাঁর জন্মপূর্ব এবং জন্মকালীন অবস্থা ও লক্ষণাদি থেকে প্রমাণ পাওয়া যায়।এ সম্বন্ধে তাঁর পূন্যবর্তী মাতা হযরত বেগম গোলেনুর (রহঃ) স্বীয় রচিত "খাতুনে জান্নাত"পুস্তকে "আমার দ্বিতীয় ছেলে প্রসঙ্গে "অধ্যায়ে বিভিন্ন আধ্যাতিক ইঙ্গিতবহু স্নপ্ন ও লক্ষণাদির কথা লিপিবদ্ধ করেছেন।
যেমন তিনি তাঁর গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন, "আমার সকল ছেলেমেয়ে হওয়ার সময়ই আমি বেশ কষ্ট ভোগ করিয়াছি।কয়েকদিন নামাজ পড়িতে পারিতাম না।বেদনায় একেবারে অস্থির হইয়া থাকিতাম।আমার মেঝো (দ্বিতীয়) ছেলে খাজা ছাইফুদ্দীন জন্ম গ্রহনের কালে আমি সম্পূর্ণ সুস্থ অবস্থায় ছিলাম।আমাকে তেমন কোন কষ্ট বেদনা ভোগ করিতে হয় নাই।অত্যান্ত উচ্চ মর্যাদার অধিকারী হইয়াই যে সে জন্মগ্রহন করিয়াছিলো, তাঁহার জন্মকালের বহু নিদর্শন হইতে আমি স্পষ্ট বুঝিতে পারিয়াছিলাম।এমনকি তাহার জন্মদিনের আসরের ওয়াক্তে আমি ভাবিতেছিলাম যে, সন্তান জন্ম হওয়ার হয়তো আরো কিছুদিন দেরী আছে।এই ছেলের জন্মের দিনে খাজা পীর এনায়েতপুরী(রঃ) সাহেব বার বার আমার সঙ্গে দেখা করতেছিলেন।তাঁহার এই আনাগোনায় মনে হইতেছিলো যে, তিনি যেন কাহাকেও অভ্যর্থনা করিবার আনন্দে ছুটাছুটি করিতেছেন।ইহার এক পর্যায়ে তিনি আসিয়া আমাকে বলিলেন,"বিরক্ত হইও না।এক লাখ ছব্বিশ হাজার নবী পয়গম্বরের মাতাগণ এই কষ্ট পাইয়াছেন।তোমাকেও এই কষ্ট পাইতে হইবে।"জোহরের নামাজের ওয়াক্তে তিনি আসিয়া আমাকে জিজ্ঞাসা করিলেন,তোমার নামাজ জায়েজ আছে কি?আমি উত্তরে হ্যাঁ বলিলাম।তখন তিনি আমাকে নামাজ আদায় করার নির্দেশ দিলেন।আমি নামাজ আদায় করে নিলাম।আছরের নামাজের সময় তিনি আবার আসিয়া আমাকে জিজ্ঞাসা করিলেন,এখন কি তোমার নামাজ জায়েজ হইবে?আমি উত্তরে হ্যাঁ বলিলে,তিনি আমাকে খুব তাড়াতাড়ি নামাজ আদায় করিতে বলিলেন। আমি তাঁহার আদেশ মত তখনই নামাজ আদায় করিলাম।আছরের নামাজের পর আমি ভাবিতে লাগিলাম,সন্তান কবে যে জন্মিবে তাহা আল্লাহই ভালো জানেন।ইহার আধা ঘন্টা পরেই ৪-৫৮ মিনিটে আমার মেঝো ছেলে জন্ম গ্রহন করিলো।এনায়েতপুরী(রঃ) সাহেব আমাকে অন্য ঘরে যাইতে দিলেন না। তিনি যে ঘরে থাকেন,সেই ঘরেই অর্ধেকাংশে বেড়া দিয়া আমাকে সেখানেই রাখিয়া দিলেন।এবং সেই ঘরের মধ্যই আমার সন্তান জন্মলাভ করিয়াছিলো।
তথ্যসূত্রঃ মুর্শিদে বরহক গ্রন্থ...
Повторяем попытку...
Доступные форматы для скачивания:
Скачать видео
-
Информация по загрузке: