ycliper

Популярное

Музыка Кино и Анимация Автомобили Животные Спорт Путешествия Игры Юмор

Интересные видео

2025 Сериалы Трейлеры Новости Как сделать Видеоуроки Diy своими руками

Топ запросов

смотреть а4 schoolboy runaway турецкий сериал смотреть мультфильмы эдисон
Скачать

অবিবাহিত বা বিবাহিত শূদ্র যুবতীর প্রথম সন্তান হতে হবে উচ্চ বর্ণের ব্রাহ্মণের ঔরসে। - আর এস এস

Автор: বাংলা বাজার BANGLA BAZAR

Загружено: 2025-11-29

Просмотров: 14289

Описание: হ্যাঁ শূদ্র দলিত মহিলাদের শুতে হবে দক্ষিণের নাম্বুদ্রি ব্রাহ্মণদের সঙ্গে, তবেই তাদের প্রথম সন্তানেরা হবে অনেক বেশি শুদ্ধ, মেধাবী, বুদ্ধিমান আর স্বাস্থবান। এই কথা বলেছিলেন আর এস এস এর সরসংঘচালক এম এস গোলওয়ালকর। আর একথা কেবল তিনি নিজেদের মধ্যেই বলেছেন তেমন নয়, ১৯৬০ সালে গুজরাট ইউইনিভার্সিটিতে এক বক্তৃতা দিতে গিয়ে তিনি এরকম কথা বলেছিলেন। আজ যখন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘ আর তাদের রাজনৈতিক শাখা ভারতীয় জনতা পার্টি দলিত, শূদ্র বা পিছিয়ে পড়া অন্যান্য গোষ্ঠীর অধিকার নিয়ে কথা বলে, তখন তা এক ঐতিহাসিক ঠাট্টা বলেই মনে হয়। যে আদর্শের ভিত্তিভূমির ওপর দাঁড়িয়ে এই সংগঠনগুলো কাজ করে, তার সঙ্গে সাম্য বা সামাজিক ন্যায়ের ধারণার এক পয়সারও লেন দেন নেই। বরং তাদের মূল গুরু, আরএসএস-এর দ্বিতীয় সরসংঘপ্রধান এম. এস. গোলওয়ালকর, প্রকাশ্যেই জাতিগত শ্রেষ্ঠত্বের এক ভয়ঙ্কর মতবাদে বিশ্বাসী ছিলেন, যা তিনি পেয়েছিলেন হিটলারের নাজী দর্শন থেকে। সব্বাই জানে নরেন্দ্র মোদি বারবার বলেছেন, তাঁর গুরু গোলওয়ালকরের চিন্তাভাবনাই আরএসএস-এর মূল ভিত্তি। তাঁর লেখা ‘বঞ্চ অফ থটস’ (Bunch of Thoughts) বইটা আজও সংঘ পরিবারের কাছে এক পবিত্র নির্দেশিকা । এই বই এ আর তাঁর বিভিন্ন বক্তৃতায় তিনি যে বর্ণবাদী এবং জাতি-শ্রেষ্ঠত্ববাদী আদর্শ প্রচার করেছিলেন, তা সম্পূর্ণভাবে ভারতের সংবিধানের 'সাম্য' নীতির বিরোধী। সেই কারণেই ঐ বাঞ্চ অফ থটস এ ভারতের সংবিধানকে নিছক পাশ্চাত্যের অনুকরণ বলা হয়েছে, বলা হয়েছে মনিস্মৃতির কথা, বলা হয়েছে ত্রিবর্ণ পতাকা জাতীয় পতাকা হতেই পারে না, কারণ তিন হল অপয়া। ঐ বই এই বার বার জাতি বর্ণ বিভাজনের পক্ষে ভুরিভুরি কথা লেখা হয়েছে। প্রশ্ন হলো, যে আদর্শ যে সংগঠন দেশের কোটি কোটি মানুষকে বংশগতভাবে নিকৃষ্ট মনে করে এবং তাদের 'বংশ উন্নত' করার কথা বলে, সেই আদর্শের, সেই সংগঠনের ধারকরা কীভাবে আজ দলিত সমাজের বন্ধু হতে পারে? কীভাবে তারা মতুয়াদের কথা বলে? বিহারে পিছড়ে বর্গের কথা বলে? এই দ্বিচারিতা আসলে এক কায়দাবাজী মাত্র, মধ্যযুগীয় কুসংস্কারাচ্ছন্ন আদর্শের ওপর আধুনিক ভোট রাজনীতির একটা ফিনফিনে পাতলা আবরণ। আরএসএস-এর আজকের দলিতদের প্রতি এই 'প্রেম' বা 'সহানুভূতি' কেবলই একটা নির্বাচনী রণকৌশল, যা তাদের মূল, কঠোর এবং অহিন্দুত্ববাদী আদর্শ থেকে সাধারণ মানুষের দৃষ্টি বা মনোযোগ সরিয়ে দেয় । গোলওয়ালকরের আদর্শে যে জাতিগত শ্রেষ্ঠত্বের স্পষ্ট উল্লেখ ছিল , আরএসএস আনুষ্ঠানিকভাবে তা কখনো বাতিল করেনি, আজও নয়। কিন্তু বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিজেপি কে দলিত ভোট পেতেই হবে, কেবল উচ্চ বর্ণের ভোটে তাদের পেট ভরবে না, তা তারা জানে তাই তারা তাদের মূল আদর্শকে প্রকাশ্যে না বদলে, কেবল জনসমক্ষে 'ভিন্ন সুর' (Strategic Distancing) বজায় রাখে । বিজেপি বা আরএসএস-এর এই ভয়ঙ্কর কৌশলগত ছকবাজি বুঝতে হলে, তাদের আদর্শের সেই ভয়ঙ্কর মূল ভিত্তিটাকে ফিরে দেখা দরকার। যে ভিত্তিভূমি একসময় সরাসরি মানুষে মানুষে বংশগত ভেদাভেদকে 'বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা' বলে দাবি করেছিল। এই আদর্শে বিশ্বাসী একটা দল যখন 'সবকা সাথ, সবকা বিকাশ'-এর কথা বলে, তখন একবারের জন্যও ভাববেন না যে সেই কথাতে তাদের বিন্দুমাত্র আস্থা আছে। গুজরাট ইউনিভার্সিটিতে গোলওয়ালকরের বিতর্কিত ভাষণের কথায় আসি। ১৯৬০ সালের ১৭ ডিসেম্বর , আরএসএস প্রধান এম. এস. গোলওয়ালকর গুজরাট বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অফ সোশ্যাল সায়েন্স-এর ছাত্রদের উদ্দেশ্যে একটা ভাষণ দেন । সেই ভাষণে তিনি মানব প্রজাতিতে 'ক্রস-ব্রিডিং' বা বংশের মিশ্রণ নিয়ে এক ভয়ংকর তত্ত্ব পেশ করেন। এই বক্তব্যটা পরে আবার আরএসএস-এর নিজস্ব পত্রিকা 'অর্গানাইজার'- ১৯৬১ র ২ রা জানুয়ারিতেও ছাপা হয়েছিল । গোলওয়ালকর তাঁর ভাষণে দৃঢ়ভাবে 'রেস থিওরি' বা জাতি তত্ত্বে তাঁর বিশ্বাসের কথা বলেন । তিনি মনে করতেন, ভারতে একটাই জন্মগতভাবে শ্রেষ্ঠ জাতি (Superior Race) আছে এবং বহু অপেক্ষাকৃত নিচু জাতি আছে, যাদের বংশ উন্নত করাটা জরুরি । কেবল এই বক্তব্যই কি সমাজের বিশাল অংশের মানুষের প্রতি সরাসরি অপমান নয়? তিনি এক বিশাল সংখ্যক মানুষজনকে বংশগতভাবে নিকৃষ্ট বলে চিহ্নিত করেছিলেন। কিন্তু এখানেই তিনি থামেন নি। তিনি দাবি করেন যে প্রাচীনকালে আমাদের পূর্বপুরুষরা মানব প্রজাতিকে উন্নত করার জন্য এক সাহসী 'পরীক্ষা' করেছিলেন। তিনি এই পরীক্ষার উদাহরণ হিসেবে কেরালার সমাজে ঘটে যাওয়া এক প্রজনন ব্যবস্থার কথা তুলে ধরেন। গোলওয়ালকর বলেন, উত্তর ভারতের 'শুদ্ধ' নাম্বুদ্রি ব্রাহ্মণদের কেরালায় বসতি স্থাপন করানো হয়েছিল। কেন করানো হয়েছিল? কারণ তিনি বিশ্বাস করতেন, উত্তর ভারতীয় ব্রাহ্মণ, বিশেষ করে নাম্বুদ্রি ব্রাহ্মণরা, ঐ 'শ্রেষ্ঠ জাতির' অন্তর্ভুক্ত । সেই গুণাবলী দিয়ে কেরালার অপেক্ষাকৃত 'নিম্ন' হিন্দুদের বংশের উন্নতি ঘটানো সম্ভব ছিল। তিনি জানাচ্ছেন ১. নাম্বুদ্রি ব্রাহ্মণ পরিবারের জ্যেষ্ঠ পুত্র কেবল বৈশ্য, ক্ষত্রিয় বা শূদ্র সমাজের কন্যাকে বিবাহ করতে পারত। ২. এর চেয়েও ভয়াবহ নিয়ম ছিল যে কোনো বিবাহিত নারীর প্রথম সন্তান অবশ্যই একজন নাম্বুদ্রি ব্রাহ্মণের ঔরসে জন্ম নিতে হবে। প্রথম সন্তান জন্ম দেওয়ার পরে সেই নারী তার স্বামীর সাথে সন্তান জন্ম দিতে পারতেন। গোলওয়ালকর এই প্রজনন প্রক্রিয়াটিকে 'বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা' বলে দাবি করেন। তিনি জোর দিয়েই বলেছিলেন যে এই 'পরীক্ষা'র লক্ষ্য ছিল দেশের জন্য এক "শক্ত সবল বুদ্ধিমান মেধাবি উত্তরাধিকারি" নিশ্চিত করা।

Не удается загрузить Youtube-плеер. Проверьте блокировку Youtube в вашей сети.
Повторяем попытку...
অবিবাহিত বা বিবাহিত শূদ্র যুবতীর প্রথম সন্তান হতে হবে উচ্চ বর্ণের ব্রাহ্মণের ঔরসে। - আর এস এস

Поделиться в:

Доступные форматы для скачивания:

Скачать видео

  • Информация по загрузке:

Скачать аудио

Похожие видео

© 2025 ycliper. Все права защищены.



  • Контакты
  • О нас
  • Политика конфиденциальности



Контакты для правообладателей: [email protected]