সাধারণ আনসার ৬ষ্ঠ ধাপ(পুরুষ)সমাপনী কুচকাওয়াজ উদ্ভাধনী অনুষ্ঠান ২০২১-২২, সাধারণ আনসার, কন্টিজেনঃ-১...
Автор: All in all online study
Загружено: 2022-08-17
Просмотров: 2934
Описание:
X
বুধবার, ১৭ আগস্ট ২০২২, ২ ভাদ্র ১৪২৯
©সাধারণ আনসার প্রশিক্ষণে সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত
বাদ্যযন্ত্রের ঝঙ্কার আর দেশাত্মবোধক গানের সুরের মধ্যে ভেসে ওঠা ড্রামের তালের সঙ্গে পা মিলিয়ে ক্ষিপ্র গতিতে দৃপ্ত কদমে এগিয়ে চলাই বলে দেয়- প্রশিক্ষণে কতটা ঘাম ঝড়িয়েছে ‘সাধারণ আনসার মৌলিক প্রশিক্ষণ (পুরুষ) ৬ষ্ঠ ধাপ’ এর প্রশিক্ষণার্থীরা।
গত ১০ সপ্তাহ যে মাঠে দিন-রাত একাকার করেছিল, আজ সেই ইয়াদ আলী প্যারেড গ্রাউন্ডে প্রধান অতিথিকে সশস্ত্র সালাম জানিয়ে মৌলিক প্রশিক্ষণের ইতি টানল তারা।
বাংলাদেশ আনসার ও ভিডিপি একাডেমি, সফিপুর, গাজীপুরে বুধবার তাদের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে সালাম গ্রহণ করেন বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল এ. কে. এম. নাজমুল হাসান এনডিসি, পিএসসি, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী।
কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাহিনীর অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. সামছুল আলম । অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন উপ-মহাপরিচালক (প্রশাসন) , উপ-পরিচালক (প্রশাসন) বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী।
ইয়াদ আলী প্যারেড গ্রাউন্ডে বুধবার সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে বিএইচএমের প্রবেশের মধ্য দিয়ে শুরু হয় কুচকাওয়াজ।
একে একে মাঠে প্রবেশ করে প্যারেড কন্টিনজেন্ট, প্যারেড অ্যাডজুটেন্ট, কোম্পানি কমান্ডার, প্যারেড কমান্ডার, ব্যাটালিয়ন কমান্ডার ও পতাকাবাহী কন্টিনজেন্ট। একাডেমির পরিচালক (উন্নয়ন) ও বিশেষ অতিথির পর অশ্বারোহী দলের নিরাপত্তা বেষ্টনীতে মাঠের পশ্চিম প্রান্ত দিয়ে আগমন করেন প্রধান অতিথি।
লাল গালিচায় মোড়ানো সুসজ্জিত খোলা সবুজ জিপে একাডেমির পরিচালক (উন্নয়ন) ও প্যারেড কমান্ডারকে সঙ্গে নিয়ে প্রতিটি কন্টিনজেন্ট পরিদর্শন করেন তিনি। পরে প্যারেড ৬ (ছয়) সারিতে মার্চ পাস্ট করে প্রধান অতিথিকে অভিবাদন জানায়।
নিজ নিজ ধর্মগ্রন্থের দিকে হাত তুলে দৃঢ় মনোবলে বাংলাদেশের সংবিধানের প্রতি অটল থেকে দেশ ও দেশের মানুষের সেবায় নিজের জীবন উৎসর্গ করার শপথ গ্রহণ করে প্রশিক্ষণার্থীরা। তাদের মধ্যে হতে শ্রেষ্ঠ প্রশিক্ষণার্থীর হাতে পুরস্কার তুলে দেন প্রধান অতিথি।
মোট ৯৭৬ জন প্রশিক্ষণার্থীর।
প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশ্যে দেওয়া দিক-নির্দেশনামূলক বক্তৃতায় প্রধান অতিথি বিজয়ের মাসের শুভেচ্ছা জানিয়ে শুরুতেই গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি, মহান মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক, স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে; যাঁর মহান নেতৃত্বে জন্ম হয়েছে একটি স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্রের।
তিনি আরো স্মরণ করেন ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকের বুলেটের আঘাতে শাহাদাতবরণকারী বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেসা মুজিবসহ বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যদেরকে। শ্রদ্ধা নিবেদন করেন মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক জাতীয় চার নেতার প্রতি।
তিনি আন্তরিক শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন মহান মুক্তিযুদ্ধে প্রাণ উৎসর্গকারী ৩০ লক্ষ শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধা এবং সম্ভ্রম হারানো দুই লক্ষ মা-বোনের প্রতি।
মহান ভাষা আন্দোলনে ও মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর অবদানের কথা স্মরণ করিয়ে ভাষা শহিদ আনসার প্লাটুন কমান্ডার আব্দুল জব্বার ও মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে শহিদ ৬৭০ জন বীর আনসার সদস্যদের প্রতি তিনি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
তিনি আরো স্মরণ করেন এ বাহিনীর ১২ জন বীর আনসার সদস্যকে যারা সাহসিকতার সঙ্গে ১৯৭১ সালের ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের আম্রকাননে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম সরকারকে আনুষ্ঠানিক ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করেছিলেন।
প্রধান অতিথি তার ভাষণে বলেন, ‘বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী দেশের সর্ববৃহৎ শৃঙ্খলা ও জনসম্পৃক্ত বাহিনী। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে অদ্যাবধি প্রতিটি ক্ষেত্রে এ বাহিনীর সদস্যরা সবসময়ই কর্মদক্ষতা ও সফলতার পরিচয় দিয়ে যাচ্ছে। তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত এ বাহিনী দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে প্রশংসনীয় অবদান রাখছে’।
তিনি বলেন, ‘বর্তমানে সারাদেশে ৪৯২টি উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও)-দের নিরাপত্তায় ৪ হাজার ২৩ জন সশস্ত্র অঙ্গীভূত আনসার নিরাপত্তার দায়িত্ব পালন করছে। এছাড়া রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা- বিমান বন্দর, সমুদ্র বন্দর, রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র, মাতারবাড়ি বিদ্যুৎ কেন্দ্র, কর্ণফুলী টানেল, জাতীয় সংসদ ভবন, মেট্রোরেল, পদ্মা বহুমুখী সেতু, হোটেল, মোটেল, হাসপাতাল, ইপিজেডসহ গুরুত্বপূর্ণ ৪২২২টি প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তায় ৪৬০৭০ জন অঙ্গীভূত আনসার সদস্য নিরাপত্তা রক্ষার দায়িত্ব পালন করছে’।
তিনি আরো বলেন, ‘জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ স্থানীয় সরকারের সকল স্তরের নির্বাচন, বিভিন্ন ধর্মীয় উৎসব, ঈদ, দুর্গাপূজা, বিশ্ব ইজতেমা, বর্ষবরণ অনুষ্ঠান, বাণিজ্য মেলা, বই মেলা, রেল স্টেশন ও কোভিড-১৯ বিশেষায়িত হাসপাতালের নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং মহানগরী এলাকার ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে অঙ্গীভূত আনসার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছে।’
প্রশিক্ষণার্থীদেরকে আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে প্রধান অতিথি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী সদস্যরা প্রশিক্ষণলব্ধ জ্ঞান, মেধা, শ্রম ও দক্ষতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীকে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবে।
করোনা মহামারির এ সময়ে স্বাস্থ্য বিধি মেনে প্রশিক্ষণ সমাপনীর জন্য একাডেমির কমান্ড্যান্ট এবং প্রশিক্ষণের সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা, কর্মচারি, প্রশিক্ষকসহ উপস্থিত সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বক্তব্য শেষ করেন। পরে সংঘবদ্ধ মার্চ পাস্ট এর মাধ্যমে কুচকাওয়াজের সমাপ্তি ঘটে।
Повторяем попытку...
Доступные форматы для скачивания:
Скачать видео
-
Информация по загрузке: