রোজার উপকারিতা | ফাস্টিং বা উপবাস থাকার উপকারিতা | Intermittent Fasting and Autophagy
Автор: BanglaBanter
Загружено: 2025-03-04
Просмотров: 167
Описание:
ইসলাম ধর্মে রমজান মাসের একমাস সাওম বা রোজা পালন করা অবশ্য কর্তব্য। এসময় মুসলিমরা সূর্যদয়ের আগ থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নিরম্বু উপবাস পালন করেন, অর্থাৎ কোন রকমের খাবার বা পানীয় গ্রহণ করেন না। এবং ধর্মীয় বিধান মতে পাপ কাজ থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করেন। অন্যান্য ধর্মেও ফাস্টিং বা উপবাসের চর্চা আছে। ধর্মীয় প্রথাতে ফাস্টিং এঁর গুরুত্ব থাকলেও পপুলার কালচারে ফাস্টিং জনপ্রিয় হয়নি। তবে আধুনিক মানুষের লাইফ স্টাইলের কারণে রোগ নিরাময়ের জন্য ফাস্টিং এখন জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।
মাওলানা রুমি বলেছেন, ফাস্টিং ইজ দ্য ফার্স্ট প্রিনসিপল অফ মেডিসিন। অর্থাৎ উপবাস রোগ নিরাময়ের প্রধান ঔষধ।
কম খেয়ে মানুষ মারা যায় না, বরং শরীর সুস্থ থাকে। খনার বচনে আছে, উনা ভাতে দুনা বল, বেশি ভাতে রসাতল। বেশি খেলে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়েবেটিস, ওবেসিটি বা মুটিয়ে যাওয়া সহ নানা রোগ বালাই এর সম্ভাবনা বাড়ে।
আদিম কালে মানুষ যখন প্রকৃতিতে বাস করত, শিকারী জীবন ছিল তখন সব সময় খাবার মিলত না। বেশিরভাগ সময় তাকে বনের ফলমূল ইত্যাদি খেয়ে বেঁচে থাকত হত। তারপরে শিকার হলে তখন সবাই মিলে পেটভরে খেত। ফলে ফাস্টিং এন্ড ফিসটিং এর একটা সাইকেল ছিল।
ফাস্টিং বা ক্ষুধার্ত থাকা সেজন্য প্রজাতি হিসেবে মানুষের বেড়ে উঠার সাথে সম্পর্কিত। কৃষি ব্যবস্থার আগে মানুষের খাবারের নিশ্চয়তা ছিল না। কৃষিতেও সব সময় ফলন হবে তার নিশ্চয়তা ছিল না। ফলে খাবারের অনিশ্চয়তা ছিল। বর্তমানে যে রকম সুপার মার্কেটে গেলে খাবারের অভাব হয় না, বা ফ্রিজ খুল্লেই একগাদা খাবার এমনটা কখনো ছিল না। তিনবেলা খাওয়া সাথে সকাল বিকাল স্ন্যাক্স, এর সাথে দিনভর চা, কফি, সুগারি ড্রিঙ্কস এসব তো আছেই।
ফলে মানুষ এখন প্রয়োজনের তুলনায় বেশি খাওয়া- দাওয়া করছে, এবং ঘন ঘন খাবার খাচ্ছে। মানুষের ইতিহাসে কখনোই এমন ছিল না। প্রাকৃতিক পরিবেশে একটা বন মোরগ বা দাঁতাল শুয়োর ধরে সেটা খেতে অনেক কষ্ট করতে হত। বেশিরভাগ সময় শিকারে সফলতা পাওয়া যেত না। আর এখন কোন পরিশ্রম ছাড়া চিকেন ফ্রাই, বার্গার খেতে পারছে। এমনকি গাড়ি থেকে নামার দরকার নেই, ড্রাইভ থ্রু তে খাবার কেনা যায়। আমাদের জীবন যাপন হয়ে গেছে সেডেন্টারি, অফিস আদালতে বসে থাকার কাজ। বাসায় এসেও নড়াচড়ার কোণ উপায় নেই, পাবলিক প্লেইস বা জনপরিসর কমে যাওয়ায় বেশিরভাগ মানুষের জন্য নড়াচড়ার সুযোগও নেই। সোফাতে বসে টিভি দেখা বা ফোনের স্ক্রিন স্ক্রল করা। এই লাইফ স্টাইলে খুব সহজের নানাবিধ নাগরিক রোগ-বালাই মানুষের শরীরে বাসা বাঁধে।
বর্তমানে শরীর সুস্থ রাখার জন্য ফাস্টিং বা উপবাসের প্রয়োজনীয়তার কথা অনেকে সাজেস্ট করছেন। ২০১৬ সালে জাপানিজ বিজ্ঞানী ইয়োশোনরি ওহসোমি ফাস্টিং এর উপর গবেষণার জন্য মেডিসিনে নোবেল পুরষ্কার পান। তিনি দেখান ফাস্টিং এর সময় শরীরের কোষগুলো কোষের ভেতরের বর্জ্য পদার্থগুলোকে ডাইজেস্ট করে সেগুলো থেকে শক্তি আহরণ করে যাকে তিনি বলেন অটোফ্যাগি।
Повторяем попытку...
Доступные форматы для скачивания:
Скачать видео
-
Информация по загрузке: