খুদে গল্প | HSC বাংলা ২য় পত্র Animated Lessons | Shikho
Автор: Shikho
Загружено: 2022-10-29
Просмотров: 10611
Описание:
আজকের খুদে গল্প বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করবো।
ভর্তি হতে, App টি Download করো 😄
App Link: http://shikho.io/ShikhboJitbo
অথবা ক্লিক করো:
✅HSC বাংলা ২য় পত্র Animated Lessons-http://shikho.io/HSC-B2-AL
💥HSC এর জন্য অন্যান্য কোর্সসমূহ:
✅HSC Science Animated Lessons Bundle- http://shikho.io/HSC-Sci-AL
✅HSC Common Animated Lessons Bundle- http://shikho.io/HSC-Common-AL
✅HSC ইংরেজি Animated Lessons-http://shikho.io/HSC-Engllish-AL
✅HSC উচ্চতর গণিত ১ম পত্র Animated Lessons-http://shikho.io/HSC-HM-1st-AL
✅HSC উচ্চতর গণিত ২য় পত্র Animated Lessons-http://shikho.io/HSC-HM-2nd-AL
✅HSC জীববিজ্ঞান ১ম পত্র Animated Lessons-http://shikho.io/HSC-Bio-1st-AL
✅HSC জীববিজ্ঞান ২য় পত্র Animated Lessons-http://shikho.io/HSC-Bio-2nd-AL
তুমি নিশ্চয়ই জানো আকারে ছোট হয় বলেই এই গল্পগুলোকে ছোটগল্প বা খুদে গল্প বলা হয়। তবে আকারে ছোট হলেও গল্পগুলো কিন্তু বেশ আনন্দদায়ক, তাই না?
তুমি কি জানো পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট বা খুদে গল্পটি কার লেখা? তাঁর নাম হলো আর্নেস্ট হ্যামিংওয়ে। তিনি ছিলেন একজন মার্কিন সাহিত্যিক। তিনি তাঁর সহকর্মীদের সাথে বাজি ধরে মাত্র ছয়টি শব্দ দিয়ে পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট গল্পটি লিখেছিলেন। অবাক করার বিষয় তাই না? আর তাঁর লেখা সেই খুদে গল্পটি হলো, “For sale: baby shoes, never worn." গল্পটির বাংলা অনুবাদ করলে দাঁড়ায় “বিক্রয়ের জন্য: শিশুর জুতা যা কখনও পরা হয়নি।” গল্পটি আকারে ছোট মনে হলেও এর ভাবার্থ কিন্তু অনেক বড়। তুমি নিজে চিন্তা করে দেখলেই বুঝতে পারবে।
বাংলা সাহিত্যে এতো ছোট গল্প কেউ লেখেনি। তবে বনফুল অর্থাৎ বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায়ের গল্পগুলো আকারে খুবই ছোট। তিনি বেশিরভাগ ছোটগল্প ৫০-১০০ শব্দের মধ্যে লিখতেন।
তাহলে বুঝতেই পারছো, এই পর্বের আলোচনার বিষয় হলো খুদে গল্প।
আজকের পর্বে তুমি জানবে খুদে গল্প কী, খুদে গল্প লেখার নিয়ম এবং গুরুত্বপূর্ণ কিছু খুদে গল্প অনুশীলন সম্পর্কে। তো চলো শুরু করা যাক।
শুরুতেই জেনে নেবো খুদে গল্প কী।
খুদে গল্প হলো এক প্রকার লিখিত সাহিত্য, যেখানে সংক্ষিপ্ত আকারে বাস্তব জীবনের কোনো ঘটনাকে কাল্পনিক চরিত্র এবং চরিত্রের সংলাপের সাহায্যে ফুটিয়ে তোলা হয়। ব্যাপারটাকে আরও সহজে যদি বলি, খুদে গল্প হলো এক প্রকার গল্প যা মুখে না বলে লেখা হয়। আর এই গল্পে একটি কাহিনি থাকে যা মানুষের জীবন থেকে সংগ্রহ করা হয়। কাহিনিটাকে নাটকীয়ভাবে এবং আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপন করা হয় কাল্পনিক চরিত্র এবং এই চরিত্রের সংলাপের মাধ্যমে।
আশা করি খুদে গল্প কী তা তুমি বুঝতে পেরেছো। এবার আমরা জানবো এই খুদে গল্প কীভাবে লিখতে হয় বা একটি খুদে গল্প লিখতে হলে কী কী বিষয় মাথায় রাখতে হবে।
আচ্ছা ভেবে দেখো তো, কাহিনি ছাড়া কোনো গল্প লেখা সম্ভব কিনা? না, সম্ভব না। তাই খুদে গল্পও লেখা শুরু করতে হবে একটি কাহিনিকে কেন্দ্র করে। অর্থাৎ খুদে গল্প লেখার আগে কাহিনিটাকে বিবেচনা করে নিজের মনের মধ্যে একটি গল্প সাজিয়ে ফেলতে হবে। এরপর সেই গল্পটিকে প্রয়োজনীয় চরিত্র ও সংলাপের সাহায্যে আকর্ষণীয় ভাষায় উপস্থাপন করতে হবে। পরীক্ষায় তোমাকে একটি কাহিনির সংকেত বা শুরুর অংশ দেওয়া থাকবে। আর সেটির আলোকেই তোমাকে গল্পের বাকি অংশটুকু লিখে ফেলতে হবে।
কাহিনি দাঁড় করানোর পর যেই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিতে হবে তা হলো, খুদে গল্পের নাম বা শিরোনাম। গল্পের নামকরণ একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ গল্পের নাম দেখেই পাঠকের মাঝে গল্প পড়ার আগ্রহ তৈরি হয়। তাই গল্পের নামটি হতে হবে আকর্ষণীয় এবং গল্পের বিষয়বস্তুর আলোকে। তুমি চাইলে গল্পের প্রধান চরিত্র, গল্পের মূলভাবকে গল্পের শিরোনাম হিসেবে ব্যবহার করতে পারো। আবার গল্পের ভাবের সাথে মিল রয়েছে এমন প্রবাদ বাক্য ও বাগধারাও গল্পের শিরোনাম হিসেবে ব্যবহার করতে পারো। পরীক্ষায় বেশিরভাগ সময়ই খুদে গল্পের নাম বা শিরোনাম দেওয়াই থাকে। খুদে গল্পের প্রত্যেকটি চরিত্র নিজেই নিজেকে উপস্থাপন করবে।
আচ্ছা ভাবো তো গল্পের কোনো চরিত্রের মুখে কোনো কথা নেই তাহলে কি গল্প আগাবে? নিশ্চয়ই না। মূলত সংলাপই চরিত্রকে জীবন্ত করে তোলে। তাই চরিত্র সৃষ্টির পরই চলে আসে চরিত্রের সংলাপের বিষয়টি। চরিত্রের বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশা, সামাজিক অবস্থা ইত্যাদিকে বিবেচনা করে চরিত্রের উপযুক্ত সংলাপ ব্যবহার করতে হবে। তাহলেই গল্প অনেকবেশি প্রাণবন্ত হয়ে উঠবে। চরিত্রের বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী উপযুক্ত সংলাপ যদি চরিত্রকে না দেওয়া হয় তাহলে গল্পের শিল্পগুণ নষ্ট হবে। যেমন ধরো, কোনো গল্পে যদি রিকশাওয়ালার মুখে আঞ্চলিক ভাষা বা কথ্য ভাষার পরিবর্তে প্রমিত বা শুদ্ধ বাংলা ভাষার সংলাপ দেওয়া হয় তাহলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না।
এরপর যে বিষয়টি খেয়াল রাখতে হবে তা হলো, গল্পের কাহিনি বর্ণনার ধরন। খুদে গল্পের কাহিনি মূলত তিনটি অংশে ভাগ করে লিখতে হবে। যার প্রথম অংশে থাকবে কাহিনির সূচনা। যেখানে কাহিনির শুরুর অংশ লিখতে হবে।
সূচনা অংশের পর লিখতে হবে কাহিনির মূল অংশ। এই অংশটিই হবে খুদে গল্পের মূল কথা। অর্থাৎ গল্পের মূল কাহিনি এই অংশেই তোমাকে লিখতে হবে।
এই অংশে কাহিনি বা চরিত্রের পরিণতি সম্পর্কে লিখতে হবে।
এই গুরুত্বপূর্ণ নিয়মগুলো ছাড়াও আরও কিছু নিয়ম খুদে গল্প লেখার সময় তোমাকে মাথায় রাখতে হবে। আর তা হলো, খুদে গল্প খুব ছোট করে লিখতে হবে। অর্থাৎ দুই থেকে চার পৃষ্ঠার মধ্যে তুমি গল্পটি লিখবে। খুদে গল্প শুদ্ধ ভাষায় ও শুদ্ধ বানানে লিখতে হবে। যথাযথভাবে যতিচিহ্ন ব্যবহার করতে হবে। গল্পের শিরোনাম ও শুরুর অংশের সাথে মিল রেখে খুদে গল্প লিখতে হবে।
আজকের আলোচনা এই পর্যন্তই। আশা করি তুমি এখন খুব সহজেই যেকোনো নাম ও কাহিনি দিয়ে খুদে গল্প লিখতে পারবে। আগামী পর্বে আবার দেখা হবে। সেই পর্যন্ত ভালো থেকো, সুস্থ থেকো। শুভকামনা।
Повторяем попытку...
Доступные форматы для скачивания:
Скачать видео
-
Информация по загрузке: