উলপুর জমিদার বাড়ি, গোপালগঞ্জ ।
Автор: SHOTS ON PRO
Загружено: 2025-11-25
Просмотров: 123
Описание:
গোপালগঞ্জ জেলার অন্যতম ঐতিহাসিক ও দর্শণীয় স্থান হলো উলপুর জমিদার বাড়ি। প্রাচীন স্থাপত্যশৈলী এবং জমিদারী ঐতিহ্যের সাক্ষী হিসেবে এটি পর্যটকদের কাছে বেশ পরিচিত।
নিচে উলপুর জমিদার বাড়ি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হলো:
১. ইতিহাস ও পটভূমি
উলপুর জমিদার বাড়িটি আনুমানিক ১৯০০ সালের দিকে প্রতিষ্ঠিত হয়। এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন জমিদার প্রীতীশ চন্দ্র রায় চৌধুরী। প্রায় ২০০ একর জায়গাজুড়ে এই জমিদার বাড়িটি নির্মাণ করা হয়েছিল।
ইতিহাস মতে, উলপুরের জমিদাররা ছিলেন "একশ ঘর শরিক"। অর্থাৎ তাদের বংশধর বা শরিকদের সংখ্যা ছিল অনেক।
জনশ্রুতি আছে যে, একসময় এই জমিদার বাড়িতে ৩৬৫টি ভবন ছিল (বছরের প্রতিদিন একটি করে ব্যবহার করার জন্য), যা এখন কালের বিবর্তনে হারিয়ে গেছে।
১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর জমিদার প্রীতীশ চন্দ্র রায় চৌধুরী ও তার পরিবার কলকাতায় চলে যান। এরপর বাড়িটি সরকারি খাস খতিয়ানে চলে যায়।
২. বর্তমান অবস্থা ও স্থাপত্য
বর্তমানে জমিদার বাড়ির অধিকাংশ ভবনই ধ্বংসপ্রাপ্ত বা জরাজীর্ণ অবস্থায় আছে। তবে এখনও বেশ কয়েকটি দোতলা দালান টিকে আছে যা জমিদারী আমলের আভিজাত্যের সাক্ষ্য বহন করে।
সরকারি ব্যবহার: টিকে থাকা পুরনো ভবনগুলো বর্তমানে উলপুর তহশিল অফিস, সাব-পোস্ট অফিস, ইউনিয়ন বোর্ড অফিস এবং স্বাস্থ্যকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। একটি ভবন উলপুর পি.সি. হাইস্কুল (প্রীতীশ চন্দ্র হাইস্কুল) হিসেবেও ব্যবহৃত হয়।
দর্শনীয় বস্তু: এখানে "নাটঘর", "মেজ বাবুর বাড়ি", "ছোট বাবুর বাড়ি" এবং পুরাতন শ্মশান রয়েছে। এছাড়া বিশাল দিঘী এবং শিব মন্দির ও কালী মন্দিরও দেখার মতো।
নতুন ও পুরাতন: মূলত পুরনো ধ্বংসাবশেষগুলো গ্রামের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। তবে সম্প্রতি জমিদার পরিবারের উত্তরসূরি বা স্থানীয় উদ্যোগে একটি অংশ সুসজ্জিত নতুন জমিদার বাড়ি করা হয়েছে যা দর্শনার্থীদের মূল আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দু। অত্যন্ত সুন্দর বাগান রয়েছে ।
৩. টিকেট ও প্রবেশ মূল্য
সাধারণত গ্রামের ভেতরে ছড়িয়ে থাকা পুরনো জমিদার বাড়ির ধ্বংসাবশেষ বা সরকারি অফিসগুলো বাইরে থেকে দেখার জন্য কোনো নির্দিষ্ট টিকেট লাগে না। তবে, জমিদার বাড়ির যে অংশটি বর্তমানে সুসজ্জিত বা পার্কের মতো সংরক্ষণ করা হয়েছে (অনেকে একে 'নতুন জমিদার বাড়ি' বা ব্যক্তিগতভাবে সংরক্ষিত অংশ বলেন), সেখানে প্রবেশের জন্য জনপ্রতি ২০ টাকা প্রবেশ মূল্য রয়েছে । তাছাড়া ভিতরে অনেক রাইড রয়েছে যেমন: ইলেকট্রিক ট্রেন, দীঘিতে বোট চালানোর সুবিধা,
৪. অবস্থান ও যাতায়াত ব্যবস্থা
এটি গোপালগঞ্জ জেলা সদর থেকে প্রায় ৮ কিলোমিটার উত্তরে উলপুর গ্রামে অবস্থিত।
গোপালগঞ্জ থেকে: গোপালগঞ্জ শহরের "কুয়াডাংগা বাসস্ট্যান্ড" বা পুলিশ লাইন্স মোড় থেকে লোকাল বাস, মাহেন্দ্র বা ইজিবাইকে করে সরাসরি উলপুর বাজারে যেতে হবে ।
উলপুর বাজার থেকে: বাজারে নেমে অটো ভ্যান কিংবা ইজি বাইক নিয়ে সরাসরি জনপ্রতি ১০ টাকা ভাড়ায় জমিদার বাড়িতে যাওয়া যায় ।
৫. ভ্রমণ টিপস
যেহেতু এটি একটি ধ্বংসপ্রায় ঐতিহাসিক স্থান এবং এর কিছু অংশ সরকারি অফিস হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে, তাই ভ্রমণের সময় শালীনতা বজায় রাখা এবং অফিসের কার্যক্রমে ব্যাঘাত না ঘটানোই শ্রেয়।
পুরো এলাকা ঘুরে দেখতে ১-২ ঘণ্টা সময় লাগতে পারে।
আপনি যদি গোপালগঞ্জে ভ্রমণে যান, তবে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধ দেখার পাশাপাশি উলপুর জমিদার বাড়িটি আপনার ভ্রমণের তালিকায় রাখতে পারেন।
Повторяем попытку...
Доступные форматы для скачивания:
Скачать видео
-
Информация по загрузке: