জার্মান কৃষি উদ্যোক্তা German Farmer
Автор: N I Khan
Загружено: 2019-12-05
Просмотров: 1971
Описание:
জার্মানি Dusseldorf এলাকার একটি কৃষি খামার ও তার সাথে বিক্রয়কেন্দ্র। রোমান আর্কিওলজিক্যাল সাইজ প্রাচীন রোমান শহর Xanten থেকে মাত্র ২১ কিলোমিটার দূরে। হাজার হাজার বছর যাবত এলাকায় কৃষি কাজ হয়ে আসছে।
এই কৃষি ক্ষেত্রের ১০ হেক্টর জমিতে অর্গানিক ফল এবং মাংস ডিম উৎপাদন হয়। একটি পরিবার চালিত খামার ও বিক্রয় কেন্দ্র। যে ফসল উৎপাদন হয় শুধু তা সরাসরি বিক্রি হয় না তা ইন্ডাস্ট্রিতে নিয়ে প্রক্রিয়া করে বিভিন্ন ধরনের প্রোডাক্ট বা খাদ্য তৈরি করা হয়। এই পরিবারটি ১৯৩৮ সাল থেকে কাজ করছে। তারা এই কাজের মাধ্যমে প্রতিনিয়ত শিখছে এবং তা প্রয়োগ করছে।
আমাদের দেশের অপেক্ষাকৃত সম্পদশালী জমির মালিকরা ফসল উৎপাদন করেন না। তাই শেখার পর প্রয়োগ করার সুযোগ নেই। বর্গাচাষী বা লিজ নেওয়া জমিতে কৃষকরা জমির ফসল ফলায়। ক্ষেতে ফসলের মূল্য এবং শহরের বিক্রয়কেন্দ্রের মূল্যের আকাশ-পাতাল ফারাক। আমাদের দেশের কৃষক স্বল্প জমিতে ফসল ফলিয়ে স্বল্প আয়ের জীবনধারণ করেন। বড় খামার নেই। বিক্রয় কেন্দ্র করলে সারাবছর তার পক্ষে দোকানে ফসল সরবরাহ করার মত খাদ্য উৎপাদন হয় না। পুঁজির অভাবে জমির সাথে বিক্রয়কেন্দ্র করা কিংবা লব্ধ জ্ঞান প্রয়োগ করার সুযোগ কম। অপরপক্ষে জমির মালিক এই ধরনের শিল্পে অর্থ বিনিয়োগ করা নিরাপদ মনে করেননা। আমাদের এখানে ব্যবস্থাপনা দক্ষতার যথেষ্ট ঘাটতি আছে। অনুপস্থিত জমির মালিকেরা এ ধরনের বিনিয়োগে ভয় পান। এতে লাভ কম বিধায় তারা এর চেয়ে শহরে বাড়িতে বিনিয়োগ করতে বেশি নিরাপদ বোধ করেন। আমাদের দেশে ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা অতি প্রয়োজন। গভর্নেন্স এর ক্ষেত্রেও আরও বেশি মনোযোগ দেওয়ার প্রয়োজন আছে।
এখানে প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে যেকোনো কৃষক ফসল নিয়ে গিয়ে তা প্রসেস করে নিয়ে আসতে পারে। তার নিজের প্রক্রিয়াকরণ শিল্প করতে হয়না। আমাদের দেশে এই ব্যবস্থা নেই। আমাদের দেশে বড় শিল্পের সাথে প্রক্রিয়াকরণ প্লান্ট আছে। বাইরের কেউ সেখানে টাকা দিয়ে খাদ্য প্রক্রিয়া করে নিয়ে আসতে পারে না। আমাদের দেশে মাছ মুরগির খাদ্যের ক্ষেত্রে অবশ্য এ ধরনের ব্যবস্থা আছে। মানুষের খাদ্যের ব্যাপক বাজার থাকলেও এই ধরনের শিল্প গড়ে ওঠেনি। এই ধরনের খামারের সাথে বিক্রয়কেন্দ্র থাকলে কৃষক তার উৎপাদিত পণ্যের উপযুক্ত মূল্য পেতো। প্রক্রিয়াকরণ শিল্প থাকলে বিভিন্ন ধরনের খাদ্য উৎপাদন করে বাংলাদেশের মানুষকে আরো বেশি সেবা দেয়া যেতো। প্রক্রিয়াকরণ প্লান্ট থাকলে সেখানে খাদ্য প্রক্রিয়া করে অনেক দিনের জন্য সংরক্ষণ করতে পারত। আমাদের দেশে আলুর জন্য কোল্ডস্টোরেজ আছে কিন্তু বিভিন্ন ধরনের খাদ্যের জন্য কোন কোল্ডস্টোরেজ নেই। এমনকি পেঁয়াজের জন্য কোল্ডস্টোরেজ নেই। আমাদের নিজেদেরকেই প্রযুক্তি অর্জন করতে হবে এবং এ ধরনের শিল্প গড়ে তুলতে হবে। শুধু কথায় নয় কাজে বড় হতে হবে।
আমাদের সরকারকে নজর রাখতে হবে কীভাবে এই ধরনের শিল্প গড়ে তোলার প্রণোদনা দেওয়া যায়।
খাদ্য বিষমুক্ত, জীবাণুমুক্ত বা কেমিক্যালমুক্ত রাখা একটি অন্যতম চ্যালেঞ্জ। এখানকার বিক্রয়কেন্দ্রটি অত্যন্ত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা হয়েছে। আমাদের বিক্রয়কেন্দ্রগুলো খাদ্যের হাইজিন সম্পর্কে সচেতন না। তাই নির্মল পরিবেশ রাখা হয় না। এ বিষয়ে আমাদের ভাবতে হবে। অবস্থার পরিবর্তন করতে হবে।
জার্মানি এবং বাংলাদেশের মধ্যে হয়তো বিস্তর ফারাক। কিন্তু যেহেতু আমরা বলছি ২০৪১ সালে উন্নত দেশ হব, তাই তার প্রচেষ্টা তো থাকতে হবে। এই প্রচেষ্টা যারা করবেন তাদের অনুপ্রেরণা দেওয়া, সহায়তা করার জন্য আমার এই ভিডিও।
Повторяем попытку...
Доступные форматы для скачивания:
Скачать видео
-
Информация по загрузке: