Corona Mystery Solved - Deadly Game Played By China Russia করোনা রহস্য সমাধান চায়না রাশিয়ার মরন খেলা
Автор: Freelancing Islam Video News Ambulance Rent a Car
Загружено: 2020-04-03
Просмотров: 276
Описание:
Corona Mystery Solved - Deadly Game Played By China Russia করোনা রহস্য সমাধান চায়না রাশিয়ার মরন খেলা by Shamim Chowdhury from Barisal Outsourcing Freelancing Online Income for world epidemic situation and corona virus crisis to prevent corona problem facing the world in America, France, Germany, Italy.
করোনা রহস্য সমাধান - চায়না রাশিয়ার মরন খেলা। - Corona Mystery Solved - Deadly Game By China and Russia !!
অনেক ভিডিও তোঁ এতদিন দেখেছি আমরা করোনা নিয়ে। এবার জাস্ট এই একটা ভিডিও মন দিয়ে দেখে আমাদের পরবর্তী কর্মপরিকল্পনা ঠিক করে নেই আমরা। আর কোন গুজবে কান না দেই, বরং সঠিক ডিসিশন নিয়ে জরুরী কাজ শুরু করি।
অবশেষে খুজে পাওয়া গেল করোনা নামক ভয়াবহ দানবের আসল রহস্য, যেই দানবকে সৃষ্টি করেছে চায়না এবং তাকে সহযোগিতা করছে তার আরেক কম্যুনিস্ট মিত্র রাশিয়া। তারা এই ভয়ংকর কিলিং মিশনের মাধ্যমে করায়ত্ত করতে যাচ্ছে আগামী পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ পরাশক্তির আসন এবং নিজেদের কন্ট্রোলে নিয়ে নিতে যাচ্ছে সমগ্র পৃথিবীকে লক্ষ কোটি প্রানের বিনিময়ে। চাইনিজরা এটা করছে তাদের চিরশত্রু আমেরিকাকে পরাস্ত করে পৃথিবীর ১ নম্বর পরাশক্তি হবার ঘৃণ্য উদ্দেশ্য নিয়ে আর রাশিয়া তাকে সহায়তা করছে কয়েক বছর আগে আমেরিকা যে তাদের সাধের সোভিয়েত ইউনিয়নকে ভেঙ্গে টুকরো টুকরো করে বর্তমানের রাশিয়া সৃষ্টি করে তাদের ক্ষমতাকে ধ্বংস করে দিয়েছে সেটার প্রতিশোধ হিসেবে।
আসুন আমরা কয়েকটা মুল পয়েন্টে একটু চোখ বুলিয়ে নেই, যেসব পয়েন্ট বিচার করলেই একথা সুস্পষ্ট হয়ে যায় যে, এই জঘন্য মরন খেলার জন্য যে চাইনিজরা সরাসরি দায়ী। সব পয়েন্ট ডিটেইলস আলোচনা করতে গেলে বিশাল হয়ে যাবে, যেগুলো ভিডিওতে প্রমান সহ দেখানো হয়েছে, তাই আমরা এখানে শুধুমাত্র মুল পয়েন্টগুলো উল্লেখ করছি। যেগুলোকে ইন্টারন্যাশনাল পলিটিক্স এর আলোকে বিচার করলেই এই দাবী প্রমানিত হয়ে যায়।
১। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তারা করোনা ভাইরাসকে ‘উহান ভাইরাস’ ও ‘চাইনিজ ভাইরাস’ হিসেবে উল্লেখ করে পরিস্থিতি মোকাবেলায় চীনের সমালোচনা করেন।
২। ছড়ানোর স্থানঃ উহান হল এমন একটি শহর, যেখানে এমন সব বড় বড় ইন্টারন্যাশনাল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে, যেখানে পড়াশুনা করতে সমগ্র পৃথিবী থেকে প্রচুর বিদেশী স্টুডেন্টরা যায়। ফলে এখানকার বিদেশী স্টুডেন্টদের মাধ্যমে এই ভাইরাস খুব সহজে ছড়িয়ে যাবে সমগ্র পৃথিবীতে।
৩। সময়ঃ চিন এটি ছড়ায় ১ ডিসেম্বর থেকে এবং গোপন রাখে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। তাদের টার্গেট ছিল উহানের বিদেশী স্টুডেন্টরা এই সময়ে নববর্ষ উদযাপনের জন্য যার যার নিজেদের দেশে যাবে এবং সাথে করে নিয়ে যাবে এই মরন ভাইরাসকে। এভাবে নিখুত হিসেব করে পুরো পৃথিবীতে ছড়িয়ে দিয়েছে তারা উহান থেকে।
৪। গোপনীয়তাঃ চিন তার এই স্পেশাল প্রজেক্টের নিরাপত্তার জন্য সেই ডাক্তারকে হত্যা করে, যিনি এই ভাইরাস ছড়ানোর সাথে সাথেই সবাইকে এটার ব্যাপারে সতর্ক করা শুরু করেছিল। ফলে চিন সরকার তাকে গ্রেফতার করে এবং তাকে করোনায় আক্রান্ত করে হত্যা করে যেন তাদের গোপন তথ্য প্রকাশিত না হয়ে পরে এবং বিশ্ববাসী সতর্ক হবার সুযোগ না পায়।
৫। দূরত্বঃ উহান থেকে বেইজিং, সাংহাই এর মত বড় বড় শহর গুলো মাত্র ৮০০ থেকে ১০০০+ কিলোমিটার। উহান থেকে সেসব শহরে ভাইরাস পৌছাতে পারল না ব্যাপক আকারে, কিন্ত ওদিকে সমগ্র পৃথিবীতে, হাজার হাজার মাইল পথ পাড়ি দিয়ে এই ভাইরাস ছড়িয়ে গেল যেটা স্বাভাবিক বিচারেই অস্বাভাবিক।
৬। গুরুত্বপূর্ণ বেক্তিবর্গঃ এই ভয়ংকর ভাইরাসে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের বড় বড় সব নেতা, প্রধানমন্ত্রী, রানী, চান্সেলর আক্রান্ত হয়েছে, যেটা চায়নার টার্গেট ছিল, কিন্ত চায়নার বড় কোন সামরিক বা কম্যুনিস্ট নেতা বা অফিসার একজনও আক্রান্ত হয় নি।
৭। চাইনিজ প্রেসিডেন্ট মহামারীর সময়ে শুধুমাত্র একটি মাস্ক পরে মহামারী আক্রান্ত এলাকা পরিদর্শনে গেলেন, কিন্ত তিনি আক্রান্ত হন নি বরং একেবারে নিশ্চিন্ত মনে হাসিখুশি ভাবে সেখানে গেলেন। অ্যান্টি ভাইরাস ভাক্সিন পুশ করা না থাকলে চিন কখনও এরকম রিস্ক নিত না তাদের প্রেসিডেন্ট এর জন্য, এটা একেবারেই স্বাভাবিক কথা।
৮। চিনের মিত্র দেশগুলো যেমন রাশিয়া, উত্তর কোরিয়া এরা অসম্ভব দ্রুত করোনা তাদের নিয়ন্ত্রনে নিয়ে ফেলেছে যেখানে ইতালি, জার্মানি, ফ্রান্স, আমেরিকাতে এটা মহামারী আকার ধারন করেছে। চিন তার মিত্রদেরকে ভাক্সিন না দিলে এটা অসম্ভব।
৯। এই ভাইরাসের কারনে আমেরিকা, ইউরোপের সমস্ত দেশের শেয়ার বাজারে পুরাপুরি ধ্বস নেমে এসেছে, যেখানে আমেরিকা তার দেশের শেয়ার বাজারের ধ্বস থামাতে ইতিমধ্যেই ২ ট্রিলিয়ন ডলার ভর্তুকি দেবার ঘোষণা দিয়েছে এবং ইউরোপের অন্যান্য দেশেরও একই অবস্থা। অথচ চিনের শেয়ার বাজার ক্রমাগত ঊর্ধ্বমুখী করোনাকে তারা নিয়ন্ত্রনে নেবার পর থেকেই।
১০। অন্যান্য দেশের শেয়ার এর দরপতনের সুযোগে চিন তাদের শেয়ার অল্প দামে কিনে নিচ্ছে, ফলে আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে চিন ক্রমেই শক্তিশালী হয়ে যাচ্ছে।
১১। ডলারের দর পতনের কারনে চিনের ইয়েন এর রেট ক্রমাগত বাড়ছে, যেটা চিনকে অর্থনৈতিক দিক থেকে সবার থেকে শক্তিশালী করে তুলছে।
এভাবে আরও বহু বিষয় আছে, যেগুলো সব লিখতে গেলে কয়েক পৃষ্ঠা হয়ে যাবে। ফলে, এটা এখন মোটামুটি সিওর হয়ে বলা যায় যে, করোনা নামক অভিশাপ, এটা চিনের একটা বায়োলজিক্যাল উইপন, যেটা সে ব্যবহার করেছে প্রিথিবিকে নিজের নিয়ন্ত্রনে নেবার জন্য। ফলে এই ভয়ানক মৃত্যুর খেলা তারা কবে শেষ করবে বা কবে প্রিথিবিকে তাদের ভাক্সিন দেবে, এটা শুধু তারাই ভাল জানে আর ভাল জানেন একমাত্র আরশের মালিক রব্বুল আলামিন। ফলে আমাদের উচিত বসে না থেকে আমাদের লকডাউনের নিয়ম মেনে চলা এবং মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে বিনীত ভাবে দোয়া করা যেন, তিনি আমাদেরকে দ্রুত এই বিপদ থেকে বের হবার পথ করে দেন। আর চিন সবকিছু তাদের নিয়ন্ত্রনে না আসা পর্যন্ত সম্ভবত করোনার ভ্যাক্সিন প্রকাশ করবে না। ফলে আমাদের সতর্ক থাকা, আমাদের প্রশাসনের বলা নিয়ম মেনে চলা, প্রশাসনকে সহায়তা করে দেশের সবাই কাধে কাধ মিলিয়ে কাজ করে যাওয়া ছাড়া আর কোন উপায় নেই।
আল্লহ তায়ালা আমদের সবাইকে হেফাজত করুন।
#Shamim #Chowdhury
Повторяем попытку...
Доступные форматы для скачивания:
Скачать видео
-
Информация по загрузке: