ঘুমানোর সুন্নাত সমূহ
Автор: Ahoban আহ্বান
Загружено: 2023-08-25
Просмотров: 514
Описание:
সুস্থ ও সুন্দরভাবে বেঁচে থাকার জন্য আল্লাহর নেয়ামতসমূহের মধ্যে একটি ঘুম। মানুষকে ঘুমানোর ব্যবস্থা করে তিনি অনেক বড় অনুগ্রহ করেছেন। রাতে ঘুমের আগে বেশ কিছু আমল রয়েছে। সবগুলোই জীবনঘনিষ্ঠ ও গুরুত্বপূর্ণ। যদ্দুর সম্ভব প্রতিটি আমল পূর্ণ করা চাই। তবে কিছু আমল রয়েছে যেগুলো সবসময় গুরুত্বপূর্ণ ও আবশ্যক।
তাই ঘুমানোর আগে যে কাজগুলো সুন্নাত তাহলো-
বিছানা ঝেড়ে নেওয়া, দরজা বন্ধ করা, অজু করা, আয়াতুল কুরসি পড়া, সুরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পড়া, সুরা ইখলাস, ফালাক ও নাস পড়া, সুরা কাফেরুন পড়া, সুরা মুলক পড়া, রাতে ১০০ আয়াত তেলাওয়াত করা, খাবারের পাত্র ঢেকে রাখা, চোখে সুরমা লাগানো, ডান কাত হয়ে শোয়া, দোয়া পড়া, বাতি নিভিয়ে ফেলা, তাসবিহ পড়া।
পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও পবিত্র হয়ে শোয়া সুন্নত। হাদিসে রাসুল (সা.) বলেছেন, ‘কোনো মুসলিম যদি রাতে আল্লাহ তাআলাকে স্মরণ করে ও অজু করে নিদ্রা যায় এবং রাতের গভীরে জেগে আল্লাহর কাছে দুনিয়া-আখিরাতের কোনো ধরনের কল্যাণ প্রার্থনা করে, তাহলে আল্লাহ তাআলা তাকে সেটি দান করেন।’ (আবু দাউদ, হাদিস : ৫০৪২)
ঘুমানোর আগে খাবারের ও অন্যান্য জিনিসপত্রের পাত্র ঢেকে রাখা চাই। না হয় তাতে ইঁদুর, তেলাপোকা বা অন্য কোনো পোকা ঢুকে নষ্ট করতে পারে। এতে নানা ধরনের জীবণু ছড়ানোর পাশাপাশি বড় কোনো রোগের সংক্রমণও হতে পারে।
জাবের থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘(রাতে ঘুমানো আগে) তোমরা পাত্র ঢেকে দাও, পানির মশকের মুখ বেঁধে দাও, দরজাগুলো বন্ধ করে দাও, প্রদীপ নিভিয়ে দাও। কেননা, শয়তান মুখ বাঁধা মশক খুলে না, বন্ধ দরজাও খুলে না এবং পাত্রের ঢাকনাও উম্মুক্ত করে না। সুতরাং তোমাদের কেউ যদি পাত্রের মুখে ‘বিসমিল্লাহ’ বলে ঢেকে রাখার জন্য কেবল একটি কাষ্ঠখণ্ড ছাড়া অন্য কিছু না-ও পায়, তাহলে সে যেন তাই করে। কারণ ইঁদুর ঘরের লোকজনসহ ঘর পুড়িয়ে ছারখার করে দেয়।’ (রিয়াদুস সালিহিন, হাদিস : ১৬৫৪)
রাতে ঘুমের আগে বিছানা ঝেড়ে নেওয়া সুন্নত। মহানবী (সা.) বলেন, ‘যদি তোমাদের কেউ শয্যায় যায়, তখন সে যেন তার জামা দিয়ে বিছানাটা ঝেড়ে নেয়। কারণ সে জানে না যে তার অনুপস্থিতিতে বিছানার ওপর পীড়াদায়ক কোনো কিছু ছিল কি না। তারপর এই দোয়া পড়বে— হে আমার রব! আপনারই নামে আমার শরীরটা বিছানায় রাখলাম এবং আপনারই নামে আবার উঠব।’ (বুখারি, হাদিস : ৬৩২০)
চোখে সুরমা লাগানো রাসুল (সা.)-এর সুন্নত। বিশেষজ্ঞদের মতে, সুরমা চোখের ছোঁয়াচে সব ধরনের রোগ-জীবাণু ধ্বংস করে। চোখে ধুলো-বালি কিংবা ক্ষতিকর পদার্থ পড়লে তা নিঃসরণে কার্যকরী। দৃষ্টিশক্তি বাড়িয়ে প্রতিবন্ধক জীবাণু রোধ করে। চোখের জ্বালাপোড়াও নিরাময় হয় এতে।
আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) থেকে বর্ণিত আছে— রাসুল (সা.)-এর একটি সুরমাদানি ছিল। প্রতি রাতে (ঘুমানোর আগে) তিনি ডান চোখে তিনবার এবং বাঁ চোখে তিনবার সুরমা লাগাতেন।’ (শামায়েলে তিরমিজি, হাদিস : ৪১)
শোয়ার শুরুতে ডান কাত হয়ে শোয়া সুন্নত। তবে পরবর্তীতে সুবিধা মতো বাঁ দিকে কাত হওয়া যাবে। ইসলামে সব ভালো কাজে ডানকে প্রাধান্য দিতে বলেছে। তাই ঘুমের ক্ষেত্রেও ডান দিক থেকে শুরু করা উত্তম। চিকিৎসকদের মতে, ডান কাত হয়ে ঘুমালে আমাদের হৃৎপিণ্ড, পাকস্থলী ও ফুসফুস ইত্যাদির অবস্থান স্বাভাবিক থাকে। এছাড়াও বাঁ কাত হয়ে ঘুমানোর চেয়ে ডান কাতে শোয়ার উপকারিতা বেশি।
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে ঘুমের উল্লেখত সুন্নাতগুলো যথাযথ আদায় করার তাওফিক দান করুন। এ সুন্নাতগুলো আদায়ের মাধ্যমে ঘুমকে ইবাদতে পরিণত করার তাওফিক দান করুন। সার্বিক ক্ষতি থেকে হেফাজত করুন। আমিন।
Повторяем попытку...
Доступные форматы для скачивания:
Скачать видео
-
Информация по загрузке: