Journey By Boat to Chor Tufania ( তুফানিয়া চর ভ্রমণ ) at Rangabali , Patuakhali.
Автор: Beautiful Bangladesh
Загружено: 2018-11-08
Просмотров: 224
Описание:
TUFANIA Island
প্রকৃতির অপার সৌন্দর্য নিয়ে সমুদ্রের বুকে জেগে উঠেছে এক নয়নাভিরাম দ্বীপ। পটুয়াখালীর সাগর কন্যা খ্যাত কুয়াকাটা থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দণি-পূর্বে বঙ্গোপসাগরে জেগে ওঠা এই দ্বীপের নাম ‘চর তুফানিয়া’।
এখন পর্যন্ত এখানে লোকবসতি গড়ে ওঠেনি। এখানে রয়েছে নিবিড় সবুজের সমারোহ। এই বৃরাজির তলায় অগণিত লাল কাঁকড়ার ঝাঁক। তবে এখন মানুষের আনাগোনা বেড়ে যাওয়ায় লাল কাঁকড়ার আবাসভূমি হুমকির মুখে। বন্যপ্রাণী সংরণ আইনের আওতায় এই দ্বীপকে অভয়ারণ্য ঘোষণা করা উচিত বলে পরিবেশবিদদের দাবি। এতে একদিকে নিরাপদ থাকবে লাল কাঁকড়ার আবাসভূমি, অপরদিকে এই দ্বীপের নির্ধারিত স্থানগুলোতে পর্যটকদের ভ্রমণের সুযোগ সৃষ্টি হবে।
বঙ্গোপসাগরের বুকে বিশাল এই দ্বীপ জেগে উঠতে শুরু করে গত শতকের ষাটের দশকে। তখন এই দ্বীপে সাগরের বিশাল বিশাল ঢেউ আছড়ে পড়তো। সাগরের বিশাল বিশাল ঢেউ এমনভাবে ভেঙে পড়তো, যা দেখলে মনে হতো তুফান বইছে সাগরের বুকে। সেই থেকে জেলেরা এই দ্বীপের নাম দেন ‘চর তুফানিয়া’।
চর তুফানিয়া এক অন্য রকম দ্বীপ। এক কথায় এই দ্বীপের মূল বাসিন্দাই হচ্ছে লাল কাঁকড়া। যাদের উপস্থিতিতে সাগরের রূপালি সৈকত রক্তিম হয়ে ওঠে। জনমানবশূন্য দ্বীপে হঠাৎ করে মানুষের উপস্থিতি ঘটলে দিগি¦দিক ছুটতে থাকে লাল কাঁকড়াগুলো। দ্রুত আশ্রয় নেয় গর্তে, আবার অনেক কাঁকড়া ব্যস্ত হয়ে পড়ে নিজেদের বালু দিয়ে আড়াল করতে।
দ্বীপটি প্রকৃত প্রস্তাবে লাল কাঁকড়ার নিরাপদ আবাসভূমি। এই দ্বীপের সৈকতজুড়ে অবাধে লাল কাঁকড়ার দল বিচরণ করতো। কিন্তু এখন এই দ্বীপে লাল কাঁকড়ারা নিরাপদে নেই। ইদানিং মানুষের আনাগোনা বেড়ে যাওয়ায় লাল কাঁকড়াদের নিরাপদ আবাসভূমি এখন হুমকির মুখে।
পটুয়াখালীর নবগঠিত রাঙ্গাবালী উপজেলা থেকে প্রায় ২০ কিলোমিটার দণি-পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে এই দ্বীপ। পর্যটন মৌসুমে কুয়াকাটা থেকে কিছু ট্রলার পর্যটকদের নিয়ে চর তুফানিয়ায় যাতায়াত করে। যাতায়াতে সময় লাগে প্রায় তিন ঘণ্টা। পটুয়াখালী বনবিভাগের তথ্য অনুয়ায়ী এক হাজার একর আয়তনের এই চর তুফানিয়ায় প্রায় ৫০০ একর ভূমিতে বনাঞ্চল রয়েছে। দ্বীপের দেিণ এক কিলোমিটার দীর্ঘ প্রাকৃতিক সৈকত, যা দেখলে মুগ্ধ হতেই হবে।
এই দ্বীপে সবুজের মনোরম সমারোহ। ১৯৭৪-৭৫ ও ২০০৭-০৮ সালে বনবিভাগ দুই দফায় এই দ্বীপে বনায়ন করে। ৫০০ একর বিস্তীর্ণ বনভূমিতে রয়েছে কেওড়া, ছইলা, গেওয়া, বাবলাসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ। এ ছাড়াও রয়েছে ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল। দূর থেকে দেখলে মনে হবে সাগরের বুক চিরে জেগে উঠেছে এক সবুজ বনভূমি।
উপকূলীয় বনবিভাগ, পটুয়াখালীর বিভাগীয় বন কর্মকর্তা বলেন, চর তুফানিয়া নয়নাভিরাম একটি দ্বীপ। এই দ্বীপের বিশাল এলাকা জুড়ে লাল কাঁকড়ার বসবাস। সবুজে আচ্ছাদিত এ দ্বীপের অপরূপ সৌন্দর্য নিঃসন্দেহে পর্যটকদের আকর্ষণ করবে। একটি প্রকল্পের মাধ্যমে চর তুফানিয়াকে পর্যটকদের কাছে আরও আকর্ষণীয় করে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি। এই কর্মকর্তা আরও বলেন, এর ফলে সাগর কন্যা খ্যাত কুয়াকাটায় ভ্রমণ পিয়াসী দেশি-বিদেশী পর্যটকদের পদচারণা অনেকাংশে বৃদ্ধি পাবে । আর সরকার পাবে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব।
Collected
Повторяем попытку...
Доступные форматы для скачивания:
Скачать видео
-
Информация по загрузке: