সমুদ্র থেকে নীল সোনা উঠাচ্ছে বাংলাদেশ !! শৈবালে রপ্তানির সম্ভাবনা !! Seaweed farming in Bangladesh
Автор: Bioscope Entertainment
Загружено: 2026-03-04
Просмотров: 13859
Описание:
শৈবাল বা সিউইড আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি মূল্যবান সামুদ্রিক সম্পদ, সাগরের নীল জলে উৎপাদন হয় বলে অনেক দেশই “নীল সোনা” নামে অভিহিত করছে। খাদ্যপণ্য, ঔষধিপণ্য, প্রসাধনী, সার, বায়ো ফুয়েল এমনকি পরিবেশ দূষণরোধক পণ্য তৈরিতে শৈবালের ব্যবহার দিন দিন বাড়ছে। লবণাক্ত ও আধা লবণাক্ত পানিতে সহজে জন্মানো এবং কম খরচে চাষযোগ্য হওয়ায় এটি উন্নয়নশীল দেশের জন্য একটি আদর্শ রপ্তানি পণ্য। তবে কি ভাবে শৈবাল উৎপাদন ও রপ্তানি দেশের তালিকায় নাম লিখালো বাংলাদেশ? তা জানাবো আজকের এই ভিডিওতে, চলুন শুরু করা যাক…
বিশ্ববাজারে গত বছর শৈবাল বা সিউইডের বাজারমূল্য ছিল প্রায় ৭ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। এর মধ্যে চীন দখল করে আছে প্রায় ৫০ শতাংশ এবং ইন্দোনেশিয়া প্রায় ৩৭ শতাংশ। ইন্দোনেশিয়ার প্রধান রপ্তানি পণ্য হিসেবেই সিউইড পরিচিত। এই বাস্তবতা প্রমাণ করে—সঠিক পরিকল্পনা থাকলে বাংলাদেশও এই বাজারে শক্ত অবস্থান নিতে পারে।
ফ্যালকন ইন্টারন্যাশনালের উদ্যোক্তা ওমর হাসান মনে করেন, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে শৈবাল চাষের সম্ভাবনা আরও বিস্তৃত। দেশের প্রায় ৭২০ কিলোমিটার দীর্ঘ উপকূলীয় অঞ্চল এবং ১৯টি উপকূলীয় জেলার ১৪৭টি উপজেলায় বসবাসরত প্রায় ৩ কোটি মানুষের জীবিকায় এই খাত বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে।
উপকূলীয় অঞ্চলের নারীদের জন্যও শৈবাল চাষ আশার নতুন দুয়ার খুলেছে। নুনিয়াছড়ার আনোয়ারা ঝিনুক ব্যবসার পাশাপাশি শৈবাল চাষ শুরু করে কয়েক বছরের মধ্যেই এটিকে তার প্রধান জীবিকায় পরিণত করেছেন। তার মতো প্রায় ৫০০ জন কৃষক বর্তমানে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি)-এর কর্মসূচির আওতায় সামুদ্রিক শৈবাল চাষ করছেন। কৃষকদের ভাষ্য অনুযায়ী, ‘লং লাইন’ ও ‘ভাসমান র্যাফট’ পদ্ধতিতে শৈবাল চাষ করা হয় এবং মাত্র ১৫ দিনের মধ্যেই প্রথম ফসল তোলা সম্ভব। এরপর মাসে অন্তত দু’বার ফসল সংগ্রহ করা যায়।
Повторяем попытку...
Доступные форматы для скачивания:
Скачать видео
-
Информация по загрузке: