জুমার বয়ান: মুফতি আনোয়ার মাহমুদ দা.বা. | স্থান: ২০১ গম্বুজ মসজিদ, টাঙ্গাইল | তারিখ: ০৪-১০-২০১৯ইং
Автор: Khanqah e Madania
Загружено: 2023-07-19
Просмотров: 840
Описание:
মহান আল্লাহ তায়ালা রাসুল সা. কে যতগুলো দায়িত্ব দিয়ে পাঠিয়েছেন, তারমধ্যে একটি প্রধান দায়িত্ব হচ্ছে মানুষেকে আত্মশুদ্ধি করানো। জাহেরী বা বাহ্যিক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা যেমন ফরজ, তেমনিভাবে বাতেনী বা অভ্যন্তরীণ গুনাহ থেকেও বেঁচে থাকা ফরজ। মানুষের মাঝে বিদ্যমান বাতেনী রোগ সমূহের মধ্যে অহংকার, হিংসা, পরশ্রীকাতরতা, চোগলখোরী, বদরাগ, কৃপণতা, পরনিন্দা, গালিগালাজ ও অমীল কথাবার্তা ইত্যাদি সবগুলোই কবিরা গুনাহ। যেহেতু কবিরা গুনাহ থেকে বেঁচে থাকা ফরজে আইন, সুতরাং প্রত্যেক মুসলিম নর-নারীর জন্য আত্মশুদ্ধি করাও ফরজে আইন। আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে গুনাহ থেকে বেঁচে, আল্লাহ তায়ালার মারেফাত তথা বিশেষ পরিচয় অর্জন এবং ওসুল ইলাল্লাহ অর্থাৎ আল্লাহ পর্যন্ত পৌঁছাই হল সুলুক ও তাসাউফের মূল উদ্দেশ্য। সকল সিলসিলার বুযুর্গানে কেরামের জীবনের লক্ষ্যই ছিল আল্লাহর বান্দাকে আল্লাহ পর্যন্ত পৌঁছে দেয়া। এ মহান দায়িত্ব পালনার্থে কুতুবুল-আলম আওলাদে রাসূল ফিদায়ে মিল্লাত সাইয়্যিদ আসআদ মাদানী (রহ.) পৃথিবীর দেশে দেশে ছুটে গেছেন। বাংলাদেশেও তিনি দীর্ঘ ৩৫ বছর যাবত আত্মশুদ্ধির মাধ্যমে মানুষকে আল্লাহ পর্যন্ত পৌছানোর কাজ আঞ্জাম দিয়েছেন।
পরিচিতি: আলেম-ওলামার প্রাণকেন্দ্ৰ ময়মনসিংহের ঐতিহ্যবাহী এলাকা গফরগাঁও। বহুবার এখানে আগমন করেছেন ফিদায়ে মিল্লাত সাইয়্যিদ আসআদ মাদানী রহমাতুল্লাহি আলাইহি। তাঁরই নেক তাওয়াজ্জুতে উনার খাস খাদেম ও খলিফা মুফতি আনোয়ার মাহমুদ হাফিজাহুল্লাহ ফিদায়ে মিল্লাতের রেখে যাওয়া আমানত সংরক্ষণ এবং আত্মশুদ্ধি, তালিম, তাযকিয়া, খেদমতে খালক্বসহ সমাজের প্রতিটা স্তরে ইসলামের শাশ্বত আহ্বানকে পৌঁছে দেয়ার লক্ষ্যে ২০০৭ সালে গফরগাঁওস্থ দিঘীর পাড় গ্রামে “খানকায়ে মাদানিয়া" প্রতিষ্ঠা করে ইসলাহী কার্যক্রম শুরু করেন। প্রতিষ্ঠার পর থেকে উক্ত খানকায় বিশ্বখ্যাত বুজুর্গ আওলাদে রাসুল সাইয়্যিদ আরশাদ মাদানীদা.বা. সাইয়্যিদ আসজাদ মাদানী দা.বা. ও সাইয়্যিদ মাহমুদ মাদানী দা.বা. একাধিকবার তাশরিফ এনেছেন। এছাড়াও আরো অনেক বিশিষ্ট বুজুর্গানে দ্বীন নিয়মিত তাশরিফ আনছেন এবং জনসাধারণ ও সালিকদের উদ্দেশ্যে ইসলাহী বয়ান করছেন। মানুষ তাঁদের থেকে ফয়েজ হাসিল করে বিভিন্নভাবে উপকৃত হচ্ছে।
কার্যক্রম: প্রতিষ্ঠাকাল থেকে অদ্যাবধি খানকাহ-র
প্রতিটি কার্যক্রম যোগ্য ব্যক্তিদের তত্বাবধানে অত্যন্ত সুচারুরূপে পরিচালিত হয়ে আসছে। খানকাহর মুতাওয়াল্লী মুফতি আনোয়ার মাহমুদ হাফিজাহুল্লাহকে তাঁর শায়েখ কুতুবুল আলম আওলাদে রাসূল ফিদায়ে মিল্লাত সাইয়্যিদ আসআদ মাদানী (রহ.) ১৯৯৫ সালে চার তরিকার উপর ইযাযত দেন। তারপর থেকে তিনি চার তরিকায় বাইয়াত গ্রহণ করে আত্মশুদ্ধি অর্জনের মাধ্যমে ওসুল ইলাল্লাহ অর্থাৎ আল্লাহ পর্যন্ত পৌঁছার জন্য বিভিন্ন আমল ও অজিফার তালকিন দিয়ে আসছেন। এই সুবাদে প্রতি বছর এখান থেকে হাজারো লোক আত্মশুদ্ধির সবক গ্রহণ করে থাকে। প্রতি ৩ মাস পরপর একটি ইসলাহী জলসা এবং বছরে একবার ৩ দিন ব্যাপী ইসলাহী ও তালীমী জোড় অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। যেখানে অংশ গ্রহণের উদ্দেশ্যে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অসংখ্য সালেকিন জামাতবদ্ধ ভাবে তিন দিন থাকার জন্য আগমন করেন। এদিনের এই জোড়ে নামাজ, তেলাওয়াত, জিকির ও তাসবিহ তাহলিল এবং শায়খের নিজস্ব তত্বাবধানে ছয় তাসবিহর জিকিরের আমল প্রশিক্ষণ সহ আরও বিভিন্ন বিষয়ে তালিম দেওয়া হয়।
শিক্ষা-সম্প্রসারণ: সুদূর প্রসারী শিক্ষা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে ২০২০ সনে খানকায়ে মাদানিয়ার তত্বাবধানে প্রতিষ্ঠা লাভ করে জামিয়া মাদানিয়া- যা ইতোমধ্যে অত্র এলাকায় যথেষ্ট সুনাম কুড়াতে সক্ষম হয়েছে। সুযোগ্য শিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে অত্যন্ত সুচারুরূপে প্রতিষ্ঠানটি পরিচালিত হচ্ছে এবং দূর-দূরান্ত থেকেও ছাত্রদের আনাগোনাও বেড়েছে।
Повторяем попытку...
Доступные форматы для скачивания:
Скачать видео
-
Информация по загрузке: