‘দুই যুগের দুঃখের অবসান—স্বপ্নের ঘরে ফিরলো ননদ ও ভাবি’
Автор: Or Khan Charitable Foundation
Загружено: 2025-12-28
Просмотров: 315
Описание:
‘দুই যুগের দুঃখের অবসান—স্বপ্নের ঘরে ফিরলো ননদ ও ভাবি’
পাবনার চাটমোহর উপজেলার মুলগ্রাম ইউনিয়নের আটলংকা গ্রামে দুই যুগ ধরে যে দুঃখ আর অনিশ্চয়তা বাসা বেঁধে ছিল, তার অবসান ঘটলো অবশেষে। ননদ মোছাঃ ফাতেমা খাতুন ও ভাবি মোছাঃ মাহু খাতুন—এই দুই স্বামীহারা নারীর জীবনে এলো নিরাপদ আশ্রয়ের স্বস্তি।
দীর্ঘ ২০ বছরের বেশি সময় ধরে তারা একটি জরাজীর্ণ ছাপড়া ঘরে মানবেতর জীবনযাপন করছিলেন। বাঁশ ও পুরোনো টিনে তৈরি সেই ঘরটি ছিল ঝুঁকিপূর্ণ—বর্ষায় পানি চুঁইয়ে পড়ত, শীতে ঠান্ডা বাতাসে কাঁপত শরীর, আর ঝড়-বৃষ্টিতে ভেঙে পড়ার আশঙ্কা ছিল প্রতিনিয়ত। তবুও অভাব আর অসহায়ত্বের কারণে সেই ভাঙা ঘরই ছিল তাদের শেষ আশ্রয়।
এই মানবিক বাস্তবতার কথা জানতে পেরে পাশে দাঁড়ায় ও.আর. খান ফাউন্ডেশন। ফাউন্ডেশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দুই নারীর জন্য আলাদা দুটি টিনশেড সেমি-পাকা ঘর নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়। নির্ধারিত সময়ের আগেই ঘর নির্মাণের কাজ শুরু হয় এবং দ্রুততার সঙ্গে তা সম্পন্ন করা হয়।
ঘর দুটি সম্পূর্ণ হওয়ার পর সেগুলো সরেজমিনে পরিদর্শনে যান ফাউন্ডেশনের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মোঃ রাকিব হাসান। এ সময় নতুন ঘর পেয়ে ফাতেমা ও মাহু খাতুনের চোখেমুখে ফুটে ওঠে স্বস্তি ও আনন্দ।
নিজেদের অনুভূতি প্রকাশ করতে গিয়ে তারা বলেন,
“আমরা কখনো কল্পনাও করিনি আমাদের এমন ঘর হবে। এখন আর বৃষ্টি বা ঝড়ের ভয় নেই। নিরাপদে থাকতে পারবো। আল্লাহ ও ফাউন্ডেশনের সবাইকে দোয়া করি।”
তারা বিশেষভাবে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ডাঃ এম.এ. ওয়াহাব খান-এর প্রতি এবং ফাউন্ডেশনের সঙ্গে যুক্ত সকল শুভানুধ্যায়ী ও সহযোগীদের জন্য দোয়া কামনা করেন।
উল্লেখ্য, দুটি টিনশেড সেমি-পাকা ঘর নির্মাণে প্রায় ৫০ হাজার টাকা ব্যয় হয়, যা সম্পূর্ণভাবে বহন করেছে ও.আর. খান ফাউন্ডেশন। মানবিক দায়বদ্ধতা থেকে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগ স্থানীয়ভাবে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে।
এই দুটি ঘর শুধু একটি আশ্রয় নয়—এগুলো ফাতেমা ও মাহু খাতুনের জীবনে নিরাপত্তা, মর্যাদা ও নতুন করে বেঁচে থাকার আশার প্রতীক।
Повторяем попытку...
Доступные форматы для скачивания:
Скачать видео
-
Информация по загрузке: