কে এই বেবী নাজনীন? ভালো করে চিনে রাখুন তাকে-খালেদাকে নিয়ে গান গেয়ে কোটি ভক্তকে কাঁদালেন বেবী নাজনী
Автор: Reporter Abul
Загружено: 2018-03-06
Просмотров: 1712368
Описание:
কে এই বেবী নাজনীন? ভালো করে চিনে রাখুন তাকে-খালেদাকে নিয়ে গান গেয়ে কোটি ভক্তকে কাঁদালেন বেবী নাজনী
কে এই বেবী নাজনীন? ভালো করে চিনে রাখুন তাকে-খালেদাকে নিয়ে গান গেয়ে কোটি ভক্তকে কাঁদালেন বেবী নাজনী
==================================================
বেবী নাজনীন কে? তিনি হচ্ছেন বিএনপির ‘পারমানেন্ট বিনোদন বিএনপির কোনো সভা সমিতি কিংবা অনুষ্ঠানে নিয়মিত গান গেয়ে বিনোদন দেন বলে তার বিশেষ খ্যাতি রয়েছে।
নতুন খবর হলো বিএনপির পার্টি অফিসেও রাত-বিরাতে তাকে দেখা যায়। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য রুহুল কবির রিজভীর জন্য নিয়মিত খাবার নিয়ে যান। সেখানে গান শোনান।
২০১৫ সালের এক ঘটনার উল্লেখ করা যায়, বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া গুলশান কার্যালয়ে অবরুদ্ধ ছিলেন। সেখানে হঠাৎ দেখা মিলল বেবীর। খাবারের পট, স্যুপ ও দই নিয়ে হাজির হয়েছিলেন।
কার্যালয়ের প্রবেশ পথেই নিরাপত্তা বাহিনী ভেতরে প্রবেশ না করে তাঁকে বাসায় ফিরে যাওয়ার জন্য বারবার অনুরোধ করে। এরপরও নাছড়বান্দা বেবী নাজনীন। ভেতরে প্রবেশের জন্য প্রায় ৩০ মিনিট ধরে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বাক-বিতন্ডা করে।
বেবী নাজনীন তাঁদের বলেন, আমি আমার মায়ের জন্য দই, স্যুপ ও খাবার নিয়ে এসেছি। আমি বিদেশে ছিলাম। মা অনেক দিন ধরে না খেয়ে আছেন। মাকে খাওয়ানোর পর আমি চলে যাবো।
দেশ থেকে বিদেশে রয়েছে তাঁর নিয়মিত যাতায়াত। তাই বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সহ-সম্পাদকের দায়িত্বটা পেতে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি বেবী নাজনীনকে।
রয়েছে মানব পাচারের মত অভিযোগ, তবে তিনি ধরাছোঁয়ার বাইরে। আওয়ামীলীগ সরকার ক্ষমতায় এলে দেশের বাইরে স্থায়ী ভাবে বসবাস শুরু করেন। কয়েক বছর আগে ব্যাক টু দ্য প্যাভিলিয়ন। রাজনৈতিক মাঠে কোমর বেঁধে নামলেন।
জিয়া এতিমখানার মামলার রায় ঘোষণার আগের রাতে খালেদা জিয়া বাসভবনের দিকে যান। নিচতলার সিঁড়ির কাছ থেকেই সিনিয়র নেতারা তাকে সালাম দিয়ে বিদায় দেন। খালেদা জিয়া কার্যালয় ত্যাগের সময় গাড়ির পিছু-পিছু হেঁটে গেট পর্যন্ত গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন বেবী নাজনীন।
ব্ল্যাক ডায়মন্ড খ্যাত কন্ঠশিল্পী বেবী নাজনিন। মাত্র ১৩ বছর বয়সে ঢাকা আসেন। গানের গলা থাকলেও জীবনের মোড়টা ঘুরিয়ে দেয় জিয়াউর রহমান।
তিনি ক্ষমতা থাকা অবস্থায় বেবী নাজনীনকে মেয়ে বলে সম্বোধন করলেন। বিশেষ ব্যবস্থায় বেবীর পরিবারকে ঢাকায় নিয়ে আসার নির্দেশ দিলেন। সপরিবারে রংপুর ছেড়ে ওই বছরই ঢাকায় চলে এলেন তারা।
১৯৮৭ সালে কবি ও ব্যবসায়ী সোহেল অমিতাভের সঙ্গে প্রেম করে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন বেবী নাজনীন। সোহেল অমিতাভের এর আগের সংসার ভেঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন বেবী। এ নিয়ে সে সময়ে বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় তুমুল সমলোচনার মুখে পড়েন।
Повторяем попытку...
Доступные форматы для скачивания:
Скачать видео
-
Информация по загрузке: