সাহিত্যে খেলা ll Hsc বাংলা ১ম পত্র ll প্রবন্ধ ll প্রমথ চৌধুরী ll Sahitte khela probondho
Автор: Curator04
Загружено: 2025-11-25
Просмотров: 150
Описание:
বিশ্ববিখ্যাত ফরাসি ভাস্কর রোদ্যাঁর শিল্পচর্চার পন্থা সম্পর্কে ইঙ্গিত দিতে বলা হয়েছে।
মূলত শিল্পীর খেলার মাধ্যমেই শিল্পরাজ্যের সব অক্ষয় সৃষ্টির জন্ম। শিল্প সৃষ্টিতে শিল্পীর মনের স্বতঃস্ফূর্ত আনন্দেরই প্রকাশ ঘটে। শিল্প সৃষ্টির উপাদান নিয়ে শিল্পী খেলায় মেতে থাকেন। আর এই খেলার ফলেই তাঁর সৃষ্টি-কর্ম নানা অবয়ব পায়। ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধে প্রমথ চৌধুরী ফরাসি ভাস্কর রোদ্যাঁর শিল্প সৃষ্টির উদাহরণ টেনেছেন কাদামাটি নিয়ে। মনের আনন্দে খেলাচ্ছলে তিনি বহু বিখ্যাত সৃষ্টির জন্ম দিয়েছেন।
পৃথিবীর সকল শিল্পীরই শিল্প সৃষ্টির প্রয়াসকে ‘সাহিত্যে খেলা’ প্রবন্ধের লেখক খেলা হিসেবে বিবেচনা করেছেন।
লেখক মত প্রকাশ করেছেন যে, শিল্পী যা কিছু সৃষ্টি করেন সেটি শিল্পীর কাছে একরকম খেলারই নামান্তর। বিখ্যাত ফরাসি ভাস্কর রোদ্যাঁর সৃষ্টিকর্মকে উদাহরণ হিসেবে দেখিয়েছেন তিনি। মাটি নিয়ে পুতুল গড়ার খেলা খেলেই পৃথিবী জোড়া খ্যাতি পেয়েছেন রোদ্যাঁ। ঠিক তেমনই পৃথিবীর সকল শিল্পীই খেলার মাধ্যমে প্রতিনিয়ত অভিনব সব সৃষ্টিশীল শিল্পকর্ম সৃষ্টি করে যাচ্ছেন।
#সাহিত্য #প্রবন্ধ #বাংলা
শ্রেষ্ঠত্বের আসনে বসতে না পারলে কেউ লেখকদের উপদেশ মানবে না- প্রশ্নোক্ত উক্তিটি দ্বারা প্রাবন্ধিক এ কথাই বোঝাতে চেয়েছেন। লেখকের মতে, সাহিত্যের উচ্চস্থানে বসতে না পারলে কেউ তাঁকে মান্য করবে না। মানুষ সবসময় শ্রেষ্ঠত্বকে গুরুত্ব দেয়। যে সমাজ বা দেশের উচ্চস্থানে আছে মানুষ তাকেই গুরুত্ব দেয়। অযোগ্য মানুষও যদি বক্তব্যের জন্য মঞ্চে দাঁড়িয়ে যায়, মানুষ তাকেও গুরুত্ব দেওয়া শুরু করে। সমাজ শুধু উচ্চস্থানের মানুষকেই কদর করে। গুণী মানুষকে খুব কমই মূল্যায়ন করে। গুণী মানুষ যদি উন্নতির শিখরে পৌঁছাতে না পারে তাহলে সে মানুষের কাছে অজানাই থেকে যায়। তাই কবি আলোচ্য উক্তিটি করেছেন।
সীমিত প্রতিভার কারণে নিজেদের আয়ত্তের বহির্ভূত স্থানে উঠবার চেষ্টা অনেকের মহাপতনের কারণ হয়।
মানুষের কাছে নিজের প্রভাব ও গুরুত্ব প্রমাণের চেষ্টা মানুষের স্বভাবগত। সাধারণ অন্যান্য সকলের চেয়ে উঁচু অবস্থানে না পৌঁছাতে পারলে মানুষের মনোযোগ আকর্ষণ করা সম্ভব হয় না। তাই আমরাও নিরন্তর সেই চেষ্টাই করে যাই। এই উঁচুতে ওঠার চেষ্টা সবার জন্য সমান সাফল্য বয়ে আনে না। আয়ত্তের বাইরে কাজ করতে গেলে বরং হিতে বিপরীত হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
মনোরঞ্জন করতে গেলে সাহিত্য স্বধর্মচ্যুত হয়ে পড়ে।
বস্তুত সাহিত্যের প্রধান উদ্দেশ্য মানুষকে আনন্দ দেওয়া, খেলায় মানুষ যেরূপে আনন্দ পেয়ে থাকে। মনোরঞ্জন করার মধ্যে কোনো একটা কৃত্রিম প্রয়াস বা বিশেষ উদ্দেশ্য থাকে। কিন্তু আনন্দ দেওয়ার ব্যাপারটিতে, কোনো উদ্দেশ্য বা স্বার্থচিন্তা থাকে না, তা স্বতঃস্ফূর্ত। সাহিত্য যদি কারো মনোরঞ্জনের উদ্দেশ্যে রচিত হয়, তবে তা হয়ে পড়ে স্বধর্মচ্যুত। পক্ষান্তরে আনন্দের সন্ধান মেলে স্বতঃস্ফূর্ত খেলার ভিতর দিয়ে। তাই সাহিত্যের উদ্দেশ্য প্রসঙ্গে অনুরূপ উক্তি করা হয়েছে।
Повторяем попытку...
Доступные форматы для скачивания:
Скачать видео
-
Информация по загрузке: