“পৃথিবীর সবচেয়ে ঠান্ডা জায়গায় মানুষ কীভাবে বেঁচে থাকে?
Автор: Voice of Rehenuma
Загружено: 2025-11-28
Просмотров: 19
Описание:
#Antarctica #ঠান্ডাজায়গা #ScienceStory #VoiceOfRehenuma
#DocumentaryBangla #BanglaFacts #EarthFacts
#ScienceBangla #ColdWeatherFacts #গল্পজ্ঞান
পৃথিবীর সবচেয়ে ঠান্ডা জায়গা হলো অ্যান্টার্কটিকা—
যেখানে তাপমাত্রা কখনও –৮৯.২°C পর্যন্ত নেমে গেছে।
এই জায়গায় খোলা হাতে ৪–৫ মিনিট থাকলেই ত্বক বরফ হয়ে যায়!
কিন্তু মানুষ এখানেই থাকে।
কীভাবে?
প্রথমত—তারা থাকে বিশেষ রিসার্চ স্টেশনে।
এই স্টেশনগুলো সাধারণ ভবন না—
বরং ছোট একটা কৃত্রিম শহর যেখানে
হিটার, অক্সিজেন সিস্টেম, ট্রিপল-লেয়ার দেয়াল,
এমনকি ভেতরে আলাদা সূর্য-কৃত্রিম আলো থাকে
যাতে ছয় মাসের অন্ধকারে মানুষ বিষণ্নতায় না পড়ে।
দ্বিতীয়ত—এখানে বাইরে বের হওয়া মানে যুদ্ধ।
বিজ্ঞানীরা তিন–চার লেয়ার থার্মাল কাপড় পরে,
তার ওপর থাকে windproof suit,
আর মুখ সম্পূর্ণ ঢেকে দেয় বিশেষ গগলস দিয়ে—
কারণ এখানে বাতাস এত ঠান্ডা যে
শ্বাস নেওয়ার সময় ফুসফুস জমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।
তৃতীয়ত—তারা একা চলাফেরা করতে পারে না।
অ্যান্টার্কটিকার ঝড়কে বলা হয় Whiteout—
যেখানে নিজের হাতও দেখা যায় না।
GPS ছাড়া বের হওয়া মানেই হারিয়ে যাওয়া।
এখানকার খাবারও আলাদা—
পানি বরফ গলিয়ে তৈরি করতে হয়,
আর খাবার হয় বেশি ক্যালরি–সমৃদ্ধ,
কারণ ঠান্ডায় শরীর বাঁচিয়ে রাখতে দ্বিগুণ এনার্জি লাগে।
তবুও মানুষ কেন এখানে থাকে?
কারণ অ্যান্টার্কটিকা পৃথিবীর ইতিহাস ধরে রেখেছে বরফের নিচে।
এখানকার বরফ কাটলেই পাওয়া যায় হাজার হাজার বছরের জলবায়ুর তথ্য—
যা বলে দিতে পারে ভবিষ্যতে পৃথিবীর কী হবে।
এটা শুধু ঠান্ডা জায়গা না—
এটা বিজ্ঞানীদের জন্য পৃথিবীর সবচেয়ে বড় রহস্যের দরজা।
Повторяем попытку...
Доступные форматы для скачивания:
Скачать видео
-
Информация по загрузке: