ফিরে দেখা: ১৯৯১ সালের নির্বাচন || বিএনপি ১৪০,আ.লীগ ৮৮,জাপা ৩৫,জামায়াত ১৮ | খালেদা জিয়া | Bnanews24
Автор: Bnanews24
Загружено: 2024-01-04
Просмотров: 2376
Описание:
১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর জেনারেল এরশাদ সরকারের পতনের পর ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি পঞ্চম জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এটি ছিল বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে সাধারণ নির্বাচন। যদিও নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন সংবিধানের অংশ ছিল না, কিন্তু সবগুলো রাজনৈতিক দলের সম্মতির ভিত্তিতে সেটি করা হয়েছিল।
নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ছিলেন বিচারপতি মো: আব্দুর রউফ। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বে আট দলীয় জোট, বিএনপির নেতৃত্বে সাত দলীয় জোট এবং বামপন্থী পাঁচ দলীয় জোট নির্বাচনে অংশ নেয়। এ জোটগুলো সামরিক শাসক এরশাদ বিরোধী আন্দোলনেও সক্রিয় ছিল।
১৯৯১ সালে নির্বাচনের আগে প্রচারের সময় দুই প্রধান রাজনৈতিক দল পরস্পরের প্রতি খুব বেশি আক্রমণাত্মক ছিল না। নির্বাচনে ভোটার ছিলেন ৬ কোটি ২০ লাখ ৮১ হাজার ৭ শত ৯৩ জন। এর মধ্য পুরুষ ৩ কোটি ৩০ লাখ ৪০ হাজার ৭ শত ৫৭ জন। নারী ২ কোটি ৯০ লাখ ৪১ হাজার ৩৬ জন। ভোট প্রদান করেন ৩ কোটি ৪৪ লাখ ৭৭ হাজার ৮ শত ৩ জন। অর্থাৎ ৫৫.৪৫ শতাংশ।
নির্বাচনে অন্তত ৩০ টি রাজনৈতিক দল অংশগ্রহণ করে। প্রার্থী ছিলেন ২ হাজার ৭ শত ৮৭ জন। এর মধ্যে স্বতন্ত্র প্রার্থী ৪২৪ জন। বিএনপি ৩০০ আসনে প্রার্থী দেয়। আসন পায় ১৪০ টি। বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ ২৬৪ আসনের প্রতিদ্বন্দ্বীতা করে ৮৮ আসনে বিজয়ী হয়। জাতীয় পার্টি ২৭২ আসনে প্রার্থী দিয়ে বিজয়ী হয় ৩৫ টিতে। জামায়াত ইসলামী ২২২ আসনে প্রার্থী দেয়, বিজয়ী হয় ১৮ আসনে। বাকশাল ৬৮ আসনে প্রার্থী দিয়ে ৫টি আসন পায়। সিপিবি ৪৯ আসনে প্রার্থী দেয় বিজয়ী হয় ৫ আসনে। ইসলামী ঐক্য জোট ৫৯ আসনে, ন্যাপ (মোজাফফর) ৩১ আসনে, এনডিপি ২০ আসনে, ওয়াকার্স পার্টি ৩৫ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী করে মাত্র একটি করে আসন পায়।
এছাড়া জাকের পার্টি ২৫১,জাসদ (রব) ১৬১, জাসদ (ইনু) ৬৮, জাসদ (সিরাজ) ৩১ ফ্রিডম পার্টি ৬৫, মুসলিম লীগ (কাদের) ৬২, বাংলাদেশ জনতা দল ৫০ আসন, খেলাফত আন্দোলন ৪৩ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী করে কোন আসনে পায়নি। স্বতন্ত্র ৪২৪ জনের মধ্যে কেউ নির্বাচিত হয়নি।
নির্বাচনে কোন রাজনৈতিক দল সরকার গঠনে দুই তৃতীয়াংশ আসন পায়নি। জামায়াত ইসলামীর সমর্থনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকার গঠন করে। প্রধানমন্ত্রী হন বেগম খালেদা জিয়া।
বিরোধী দলীয় নেতা ছিলেন শেখ হাসিনা। সংসদের প্রথম সংসদ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হয় ১৯৯১ সালের ৫ এপ্রিল। সংসদে স্পিকার নির্বাচিত হন আব্দুর রহমান বিশ্বাস। ডেপুটি স্পিকার ছিলেন শেখ রাজ্জাক আলী।
স্পিকার আব্দুর রহমান বিশ্বাস রাস্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার পর ডেপুটি স্পিকার শেখ রাজ্জাক আলী স্পিকার হন। ডেপুটি স্পিকার হন হুমায়ন খান পন্নী।
এই সংসদে ২২ টি অধিবেশন অনুষ্ঠিত। মোট কার্যদিবস ছিল ৪০০ দিন। পঞ্চম সংসদে সংশোধনীসহ মোট ৫০টি বিল গৃহীত। এর মধ্যে ১৯৯১ সালে গৃহীত বিলের সংখ্যা ৩২টি। ১৯৯২ সালে বিলের সংখ্যা ১৮টি।
একাদশ সংবিধান সংশোধনী বিল ১৯৯১ এবং দ্বাদশ সংবিধান সংশোধনী বিল ১৯৯১ উপস্থাপন করা হয় ওই বছর ২রা জুলাই । এই বিলটি ছিল উপ রাস্ট্রপতি হিসাবে প্রধান বিচারপতি শাহবুদ্দিন আহমেদের নিয়োগ, ক্ষমতা প্রয়োগ, কর্ম প্রণীত আইন, অধ্যাদেশের অনুমোদন এবং প্রধান বিচারপতি পদে তার প্রত্যাবর্তন সম্পর্কিত।
দ্বাদশ সংবিধান সংশোধনীর বিষয়বস্তু ছিল রাস্ট্রপতি শাসিত সরকার ব্যবস্থা থেকে সংসদীয় ও জবাবদিহিমূলক ব্যবস্থায় প্রবর্তন সম্পর্কিত। বিশেষ কমিটির মাধ্যমে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর একাদশ ও দ্বাদশ সংশোধনী বিল সংশোধিত আকারে সংসদে উত্থাপিত হয়। আলোচনার পর ১৯৯১ সালের ৮ আগষ্ট সংসদে একাদশ ও দ্বাদশ সংশোধী বিল গৃহীত। সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতার কারণে রাস্ট্রপতির সম্মতি প্রদানের জন্য এই বিলের ওপর গণভোটের প্রয়োজন হয় পড়ে। ১৫ সেপ্টেম্বর সারাদেশে গণভোট অনুষ্ঠিত হয়। গণভোটের ফলাফল দ্বাদশ সংশোধনী বিলের পক্ষে হওয়ায় সংবিধানের বিধান অনুযায়ি ১৮ সেপ্টেম্বর বিলটি সম্মতি লাভ করে।
১৯৯৫ সালের ২৪ নভেম্বর রাষ্ট্রপতি সংসদের বিলুপ্তি ঘোষণা করেন। অর্থাৎ পঞ্চম সংসদের মেয়াদ ছিল ৪ বছর ৮ মাস।
Повторяем попытку...
Доступные форматы для скачивания:
Скачать видео
-
Информация по загрузке: