প্রভাবক ও এর প্রকারভেদ|| রসায়ন প্রথম পত্র||চতুর্থ অধ্যায়ঃ রাসায়নিক পরিবর্তন ||উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণি||
Автор: TKG Chemistry Academy
Загружено: 2020-05-11
Просмотров: 547
Описание:
প্রভাবক ও এর প্রকারভেদ|| রসায়ন প্রথম পত্র || চতুর্থ অধ্যায়ঃ রাসায়নিক পরিবর্তন || উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণি ||
শিখন ফল
প্রভাবক ব্যবহার করে বিক্রিয়ার গতি নিয়ন্ত্রণ করার কৌশল ব্যাখ্যা করতে পারবে।
প্রভাবক
1836 খ্রিস্টাব্দে বিজ্ঞানী বার্জেলিয়াস লক্ষ্য করেন যে, এমন কিছু বস্তু আছে যেগুলোর উপস্থিতিতে একটি রাসায়নিক বিক্রিয়া ত্বরান্বিত হয় কিন্তু বিক্রিয়ার পর ঐ সকল বস্তু ভর ও ধর্মে অপরিবর্তিত থাকে। তিনি বস্তুগুলির নাম দেন প্রভাবক বা অনুঘটক।
বিক্রিয়ায় প্রভাবকের কাজকে বলা হয় প্রভাবন।
যেসব পদার্থের উপস্থিতিতে কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ার বেগ বৃদ্ধি পায় কিন্তু বিক্রিয়া শেষে উক্ত পদার্থের ভর ও রাসায়নিক সংযুতি অপরিবর্তিত থাকে তাদেরকে প্রভাবক বা অনুঘটক বলে।
প্রভাবকের উপস্থিতিতে কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ার বেগ ত্বরান্বিত হওয়ার ঘটনাকে অনুঘটন বা প্রভাবন বলে।
প্রভাবকের শ্রেণিবিভাগ
প্রভাবকের প্রভাবন ক্ষমতার প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে প্রভাবককে চারভাগে ভাগ করা যায়ঃ
(ক) ধনাত্মক প্রভাবক
(খ) ঋণাত্মক প্রভাবক
(গ) স্ব-প্রভাবক
(ঘ) আবিষ্ট প্রভাবক
বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণকারী পদার্থের ভৌত অবস্থা এবং প্রভাবকের ভৌত অবস্থার উপর নির্ভর করে প্রভাবককে দুইভাগে ভাগ করা যায়ঃ
(ক) সমসত্ত্ব প্রভাবক
(খ) অসমসত্ত্ব প্রভাবক
এছাড়াও এনজাইম প্রভাবক নামে আরও একটি প্রভাবক আছে।
প্রভাবকের কার্যকারিতার উপর ভিত্তি করে প্রভাবককে আবার দুইভাগে ভাগ করা যায়ঃ
(ক) প্রভাবক সহায়ক (Catalyst Promoter)
(খ) প্রভাবক বিষ (Catalyst Poison)
ধনাত্মক প্রভাবক
এ ধরনের প্রভাবক কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ার স্বাভাবিক গতিকে আরো বৃদ্ধি করে। যেমন- পটাসিয়াম ক্লোরেট হতে অক্সিজেন প্রস্তুতকালে MnO2ধণাত্মক প্রভাবক হিসেবে কাজ করে।
2(KClO_3 →┴(MnO_2 ))┬( ∆) 2KCl+〖3O〗_2
ঋণাত্মক প্রভাবক
ঋণাত্মক প্রভাবক কোনো রাসায়নিক বিক্রিয়ার স্বাভাবিক গতিকে হ্রাস করে। যেমন হাইড্রোজেন পার অক্সাইডের বিয়োজনে অল্প পরিমাণ গ্লিসারিন যোগ করলে এর বিয়োজন হ্রাস পায়।
2H_2 O_2 →┴গ্লিসারিন 2H_2 O+O_2
অটো প্রভাবক বা স্ব-প্রভাবক
কিছু কিছু রাসায়নিক বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে দেখা যায় উৎপন্ন পদার্থের কোনো একটি পদার্থ ঐ বিক্রিয়ার গতিকে বৃদ্ধি করে, যেমন- অক্সালিক এসিড দ্রবণে সালফিউরিক এসিড মিশ্রিত KMnO4 দ্রবণ
ফোঁটায় ফোঁটায় যোগ করলে প্রথমে KMnO4 এর গোলাপী বর্ণ ধীরে ধীরে বিদূরিত হয়। কিন্তু কিছুক্ষণ পরেই এই বর্ণ দ্রুত দূর হয়। এক্ষেত্রে Mn2+(ম্যাঙ্গানাস) আয়ন অটো প্রভাবক হিসেবে কাজ করে।
5HOOC−COOH+3H_2 SO_4+2KMnO_4→K_2 SO_4+2MnSO_4+10CO_2+8H_2 O
আবিষ্ট প্রভাবক
কখনও কখনও একটি বিক্রিয়কের প্রভাবে অপর একটি বিক্রিয়কের ক্রিয়া প্রভাবিত হয়। এ ধরনের প্রভাবক অপর বিক্রিয়কটিকে প্রভাবিত করে। যেমন-Na3AsO3জারিত হয় না। অথচ Na2SO3 ও Na3AsO3 এর মিশ্রণে O2 চালনা করলে উভয়েই জারিত হয়। এক্ষেত্রে Na2SO3এর প্রভাবে Na3AsO3 জারিত হয় বলে Na2SO3 আবিষ্ট প্রভাবক হিসেবে কাজ করে।
2Na_2 SO_3+O_2→2Na_2 SO_4
Na_3 AsO_3+O_2→জারিত হয় না
Na_2 SO_3+Na_3 AsO_3+O_2→Na_2 SO_4+Na_3 AsO_4
অসমসত্ত্ব প্রভাবক
যে প্রভাবন বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে প্রভাবকটি বিক্রিয়ার অন্যান্য উপাদান (বিক্রিয়ক বা উৎপাদ) অপেক্ষা ভিন্ন দশায় থাকে তাকে অসমসত্ত্ব প্রভাবক বলে।
গ্যাসীয় বিক্রিয়কের ক্ষেত্রেঃ V2O5 বা Pt চূর্ণের উপস্থিতিতে SO2এর জারণ প্রক্রিয়ায় SO3 উৎপাদন। এক্ষেত্রে বিক্রিয়কগুলি গ্যাসীয় দশায় এবং প্রভাবক কঠিন দশায় উপস্থিত থাকে।
2SO_2+O_2+[Pt/V_2 O_5]→2SO3+[ Pt/V_2 O_5]
গ্যাস গ্যাস কঠিন গ্যাস গ্যাস
ii. তরল বিক্রিয়কের ক্ষেত্রেঃ Pt চূর্ণের উপস্থিতিতে H2O2এর জলীয় দ্রবণের বিয়োজন। এক্ষেত্রে বিক্রিয়ক তরল দশায় এবং প্রভাবক কঠিন দশায় উপস্থিত থাকে।
2H_2 O_2+[Pt]→2H_2 O+O2
তরল কঠিন তরল তরল
প্রভাবক বিষ
যে সমস্ত পদার্থ প্রভাবকের প্রভাবন ক্ষমতা ধ্বংস করে দেয় তাদের প্রভাবক বিষ বলা হয়। উদাহরণঃ SO2হতে SO3প্রস্তুতির সময় Pt প্রভাবক হিসেবে কাজ করে কিন্তু Pt এর সাথে সামান্য পরিমাণ As2O3 থাকলে তা Pt এর প্রভাবন ক্ষমতা ধ্বংস করে দেয়। এক্ষেত্রে As2O3 প্রভাবক বিষরুপে ক্রিয়া করে।
এনজাইম প্রভাবক
এনজাইম হলো ঈস্ট থেকে নিঃসৃত প্রাণহীন অদানাদার নাইট্রোজেনযুক্ত জটিল কাঠামোর বৃহদাকার প্রোটিন জাতীয় জৈব পদার্থ।
অন্যকথায়, এনজাইম হচ্ছে জীবন্ত কোষ থেকে সৃষ্ট উচ্চ আণবিক ভর বিশিষ্ট অদানাদার নাইট্রোজেনপূর্ণ রহস্যময় জৈব যৌগ।
এনজাইমের প্রভাবে যে প্রভাবন ক্রিয়া সংঘঠিত হয় তাকে এনজাইম প্রভাবন বলা হয়।
এ পর্যন্ত প্রায় 3000 এনজাইম সনাক্ত করা গেছে।
সক্রিয়ন শক্তি
বিক্রিয়ক অণুগুলো ন্যুনতম যে শক্তি অর্জন করে উৎপাদে পরিণত হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করে তাকে সক্রিয়ন শক্তি বলে।
যে বিক্রিয়ার সক্রিয়ন শক্তি বেশি তার গতির হার কম হবে এবং যে বিক্রিয়ার সক্রিয়ন শক্তি কম তার গতির হার বেশি হবে। সুতরাং বিক্রিয়ার হার সক্রিয়ন শক্তিমাত্রার ব্যস্তানুপাতিক। একটি নির্দিষ্ট বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে সক্রিয়ন শক্তির মান নির্দিষ্ট এবং বিভিন্ন বিক্রিয়ার ক্ষেত্রে সক্রিয়ন শক্তির মান বিভিন্ন হয়।
Повторяем попытку...
Доступные форматы для скачивания:
Скачать видео
-
Информация по загрузке: