আদানির বন্দরে পাকিস্তানি জাহাজ আসবে বাণিজ্যে, আর বাংলাদেশের মুস্তাফিজুর ক্রিকেট খেলতে এলে আপত্তি?
Автор: বাংলা বাজার BANGLA BAZAR
Загружено: 2026-01-05
Просмотров: 54428
Описание: এমনিতে ঐ এক অনিশ্চয়তা বাদ দিলে ক্রিকেট আর রাজনীতিতে কোনও মিল নেই, না কোনও মিল নেই। জিততে হলে ৫ বলে ১২ রান দরকার, হয়নি কি? হয়েছে। আবার ১৮ টা বল, তিন ওভারে ১৭ রান দরকার, হয়নি, তার আগেই সব উইকেট পড়ে গেছে, এমনও তো হয়েছে। হ্যাঁ ক্রিকেটের এই অনিশ্চয়তাই রাজনীতির অনিশ্চয়তার সঙ্গে জুড়ে গেছে। রাজনীতিতেও কখন যে কী হয়ে যাবে কিচ্ছু বলা যায় না, এখানে গুগলি ছোঁড়ে পাবলিক, আর কখন ছুঁড়বে তা বোঝা খুউউউউব কঠিন। কিন্তু এটা বাদ দিলে দেখুন এই রাজনীতি আর ক্রিকেটে কোনও মিল নেই। ক্রিকেট খেলতে গেলে আপনাকে ক্রিকেট জানতে হবে, ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডিং শিখতে হবে, সাধনা দরকার, হ্যাঁ তারপর ক্রিকেটার হওয়া যায়। রাজনীতি? কিছুই জানতে হবে না, কিছুই শিখতে হবে না, চরম আহাম্মক, চরম নির্বোধ, চরম অশিক্ষিত হলেও রাজনীতি করাই যায়, না আমি কেবল নরেন্দ্র মোদীর কথাই বলছি না, বহু তেমন রাজনীতিবিদদের কথা বলছি, যাঁরা অশিক্ষিত, মিথ্যেবাদী, দেশ বা পৃথিবীর ইতিহাস, ভূগোল বা রাজনীতি, কোনওটাই জানেন না, কিন্তু দিব্যি আছেন তো শীর্ষ ক্ষমতায়। কিন্তু এসবের পরেও মাঝে মধ্যেই নয়, নিয়মিত ভাবেই রাজনীতির মাঠে ক্রিকেটকে নিয়ে যাওয়া হয়, ক্রিকেটের মাঠে রাজনীতিবিদদের নিয়ে যাওয়া হয়। কেন জানা নেই আমাদের দেশেই রাজনীতিবিদরা ক্রিকেট বোর্ডের মাথায় বসে থাকেন, তাঁরাই সিদ্ধান্ত নেন, তাঁরাই টিঁকে থাকেন। বিরাট খোঁজাখুঁজি করতে হবে না, কেবল ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের দিকে তাকান, সেখানে বসে আছে জয় শাহ, এক্কেবারে মাথায়, ঘটনাচক্রে তিনি অমিত শাহের পুত্র, আর কিছু? কেবল অমিত শাহের পুত্র বলেই তাঁর ব্যবসা বাড়ে রকেট গতিতে আর তিনিই রকেট গতিতে দখল করেছেন ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডকে। সেই ক্রিকেট রাজনীতি আবার সরগরম, আইপিএলে বাংলাদেশী ক্রিকেটার মুস্তাফিজুর রহমানকে কলকাতা নাইট রাইডার্স (KKR) থেকে বাদ দেওয়ার যে নির্দেশ বিসিসিআই (BCCI) দিয়েছে। এবং নাইট রাইডার্স তা মেনেও নিয়েছে, অবশ্য না মেনে নেবার কোনও অপশন ছিল না, এটা ছিল জয় শাহের নির্দেশ। কিন্তু কেন বাদ দেওয়া হল মুস্তাফিজুর রহমান কে? কারণ তিনি বাংলাদেশী, আর বাংলাদেশে এখন সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপরে আক্রমণের বেশকিছু ঘটনা ঘটেছে তাই তাঁকে দলে নেওয়া যাবে না। কিন্তু এমন এক ফতোয়া নিয়ে অনেক অনেক কথা বলার আছে। বলবো। কিন্তু সবসময়েই আমি এরকম কোনও ক্ষেত্রে এক পুরনো পদ্ধতি মেনে চলি। এমন কোনও বিতর্কিত বিষয় সামনে এলেই আমি নিজেই নিজেক্লে প্রশ্ন করি, আপনাদেরও প্রশ্ন করি, তাইলে কাকা লাভ কার? হ্যাঁ, হু স্ট্যান্ডস টু গেইন? তাইলে কাকা লাভ কার? ক্ষতি তো ধরুন মুস্তাফিজুরের বটেই, অত্যন্ত সাধারণ ঘর থেকে উঠে আসা এক ক্রিকেটার এতবড় আস্রে নিজেকে জাচাই করার সুযোগ পেয়েছিল, সে সুযোগ হারালো, তার ব্যক্তিগত ক্ষতি। আর কার ক্ষতি হলো? বাংলাদেশের? এক গাছাও ছেঁড়া যায় নি। বরং এই মূহুর্তে বাংলাদেশে যে চরম ভারত বিদ্বেষের চাষ হচ্ছে তাতে ইউরিয়া, ১০ : ২৬ সার ঢালা হল, সেই বিদ্বেষের ডাল পালা আরও সতেজ হবে, মুস্তাফিজুর হিরো হবে বাংলাদেশে, আর বাংলাদেশ জুড়ে ইন্ডিয়া আর মুদি, হ্যাঁ ওনারা মুদিই বলেন, গুষ্টির তুষ্টি চলবে। শাহরুখ খানের টিম কে কে আর এর কোনও ক্ষতি? কিছুই না, মুস্তাফিজুরের বদলে আরেকজন এসে যাবে। আই পি এল এর দর্শকদের কোনও ক্ষতি? এমনিতে খুব একটা ক্রিকেট দেখি না, আই পি এল ইত্যাদি তো নয়ই, কিন্তু একবার সেই শুরুর দিকে গিয়েছিলাম, বুঝেছিলাম এক দেদার ফুর্তির ব্যবস্থা হয়েছে, সল্প বসনা নারী থেকে গিলে লে গিলে লে গান পর্যন্ত, সেখানে ক্রিকেট ৩ কি চার নম্বর প্রায়োরিটি। সবটাই এন্টারটেনমেন্ট, ডার্টি পিকচার। কাজেই আই পি এল এর কোনও ক্ষতিও নেই, লাভও নেই। কিন্তু আমরা জানি, আমি জানি যে লাভ ছাড়া এমন ফতোয়া কেউ দেবে না। হ্যাঁ সামনে নির্বাচন এই বাংলাতে, হিন্দু মুসলমান খেলেটা মাঠেও খেলে দেওয়া গেল, তাও আবার কোন টিমে? কে কে আর এ। আচ্ছা কারোর জানার ইচ্ছে হল না যে মুস্তাফিজুর ড্রাফট টিমে, মানে যে ক্রিকেটারদের নিলাম হবে, সেই তালিকাতে ছিলেন কেন? বি সি সি আই কিছুই জানতো না? ন্যাকা বোকা? তারা বিলক্ষণ জানতো। আচ্ছা এতগুলো দল আছে, কেউ কেন মুস্তাফিজুর নিয়ে কোনও আগ্রহ দেখায় নি, কেন এক এবং একমাত্র মুসলমানের টিম, শারুখ খানের টিম পেয়ে গেল মুস্তাফিজুরকে, নিলাম চলছে, কেউ তো কোনও কথা বলেনি, কেন নিলাম হয়ে যাবার পরে দেশজোড়া নিউজ পেপারের হেডলাইন করে তোলা হলো এই খবরকে? কেন বি সি সি আই এর হঠাৎ ঘুম ভাঙিয়া এক দিব্যজ্ঞান লাভ হলো? কেন কোনও সাধারণ প্রশ্ন ছাড়াই কে কে আর মুস্তাফিজুরকে বাদ দিল? অন্তত এই প্রশ্নও তো করতে পারতো যে আমি তো নিলামের লিস্ট এ মুস্তাফিজুরকে রাখিনি, তাকে রাখা হলো, নিলাম হলো, একজন দর দিলেন , তাঁকে টিমে নেওয়া হল, তারপরে বাদ দেওয়া হলো, এটা দেখাতে যে আমাদের বিসিসি আই কতবড় দেশপ্রেমিক? আমাদের আরও ন্যকাবোকা বাঙালি আইডলের দিকে তাকান, সৌরভ গাঙ্গুলি বা তাঁর ভাই বা আরও ক্রিকেট বিদ্বৎজনের মুখে কোনও কথাই নেই। আচ্ছে এই তালিকাতে লিটন দাস ছিল না কেন? তাকে বাদ দিয়ে এই হিন্দু মুসলমান খেলাটা খেলা যেত না তাই?
Повторяем попытку...
Доступные форматы для скачивания:
Скачать видео
-
Информация по загрузке: