খালেদা জিয়া'র গ্রেফতার নিয়ে টকশোতে পাপিয়ার সাথে আ.লীগের তুমুল ঝগড়া
Автор: BD info NEWS
Загружено: 2018-02-13
Просмотров: 1895
Описание:
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির কয়েকটি মামলার বিস্তারিত তথ্য
#নাইকো দুর্নীতি মামলাঃ বিগত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে ২০০৭ সালের ৯ ডিসেম্বর বিদেশি প্রতিষ্ঠান নাইকোকে তিনটি গ্যাস ফিল্ড থেকে অবৈধভাবে গ্যাস উত্তোলনের সুযোগ দেওয়ার অভিযোগ এনে শেখ হাসিনাসহ সাতজনের বিরুদ্ধে তেজগাঁও থানায় মামলাটি করেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক সাব্বির হাসান। অভিযোগপত্রে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে নাইকো রিসোর্সকে অবৈধভাবে এক হাজার ৭৯৪ বিসিএফ গ্যাস উত্তোলনের সুযোগ দিয়ে রাষ্ট্রের ১৩ হাজার ৬৩০ কোটি ৫০ লাখ টাকা আর্থিক ক্ষতি করেছেন।
#মিগ ২৯ বিমান ক্রয় দুর্নীতিঃ ৮টি মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান ক্রয়ের দুর্নীতির অভিযোগে বিলুপ্ত দুর্নীতি দমন ব্যুরোর কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল-জাহিদ বাদী হয়ে ২০০১ সালের ১১ ডিসেম্বর তেজগাঁও থানায় মামলাটি দায়ের করেন। শেখ হাসিনা ছাড়াও সাবেক বিমানবাহিনীর প্রধান জামালউদ্দিন, প্রতিরক্ষা সচিব সৈয়দ ইউসুফ হোসেন, সাবেক যুগ্ম সচিব ব্রিগেডিয়ার (অব.) ইফতেখার ও সাবেক উপ-সচিব হাসান মাহমুদকে আসামী করা হয়। ২০০৩ সালের ২৯ জানুয়ারি মামলার চার্জশীট দেয়া হয়। মামলার অভিযোগে বলা হয়, ১৯৯৯ সালে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী থাকাকালে নীতিমালা লঙ্ঘন করে রাশিয়া হতে ১৬টি মিগ-২৯ বিমান কেনার চুক্তি হয়। যার মাঝে ৮টি সরবরাহ করা হয় এবং এর মূল্য হিসেবে ১২ কোটি ৯০ লক্ষ ইউএস ডলার বা তৎকালীন মুদ্রামানে ৭০০ কোটি টাকা পরিশোধ করা হয়। ১৬টির মধ্যে ৮টি সরবরাহ না হওয়ায় সরকারের প্রায় ৭০০ কোটি টাকা ক্ষতি হয়।
মিগ ২৯ বিমান
#কোরিয়ান ফ্রিগেট ক্রয় দুর্নীতিঃ বিএনপি নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোট সরকারের সময় ২০০২ সালের ৭ আগস্ট বিলুপ্ত দুর্নীতি দমন ব্যুরোর কর্মকর্তা (বর্তমানে দুর্নীতি দমন কমিশনের উপপরিচালক) মীর জয়নুল আবেদীন শিবলী তেজগাঁও থানায় শেখ হাসিনাসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে ফ্রিগেট কেনায় দুর্নীতির অভিযোগ এনে মামলাটি দায়ের করেন। মামলা নং-তেজগাঁও থানা ৩৪(৮) ২০০২। দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে নৌবাহিনীর জন্য পুরাতন যুদ্ধজাহাজ ফ্রিগেট কেনায় সর্বনিম্ন দরদাতা চীনা কোম্পানির পরিবর্তে চতুর্থ সর্বনিম্ন দরদাতা দক্ষিণ কোরিয়ান কোম্পানিকে কাজ দিয়ে রাষ্ট্রের ৪৪৭ কোটি টাকা ক্ষতি করেন।
#মেঘনা ঘাট বিদ্যুৎ কেন্দ্র দুর্নীতিঃ আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে মেঘনাঘাট বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে দুর্নীতির অভিযোগে ২০০১ সালের ১১ ডিসেম্বর রমনা থানায় শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করা হয়। মামলা নং- রমনা থানা ৫৪ (১২) ২০০১। বিলুপ্ত দুর্নীতি দমন ব্যুরো ২০০২ সালের ১৪ অক্টোবর শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চার্জশীট দেয়। ওই সময়ের বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রফিকুল ইসলামও এই মামলার আসামি। মামলার অভিযোগে বলা হয় মেঘনা ঘাট বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনে অনিয়ম এবং দুর্নীতির কারণে রাষ্ট্রের ১৭ কোটি ৮৪ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে। চার্জশীটে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক রফিকূল ইসলাম, সাবেক যোগাযোগমন্ত্রী সৈয়দ আবুল হোসেন ও সাকো গ্রুপের ব্যবস্থাপক এএমএন ইসলামকে আসামি করা হয়।
#খুলনায় ভাসমান বিদ্যুৎ কেন্দ্র ঘুষ দুর্নীতি মামলাঃ বঙ্গবন্ধু মেমোরিয়াল ট্রাস্টের নামে তিন কোটি টাকা চাঁদা নিয়ে খুলনায় ভাসমান বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনে সর্বনিম্ন দরদাতাকে বাদ দিয়ে দ্বিতীয় দরদাতাকে কাজ দেয়ার অভিযোগে শেখ হাসিনাসহ ছয় জনের বিরুদ্ধে ২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর তেজগাঁও থানায় মামলা করে মইন-ফখরুদ্দীন আমলের দুদক। এই চাঁদাবাজি মামলায় ২০০৮ সালের ১৮ মে অভিযোগ গঠনের পর বিশেষ জজ আদালতে মামলার সাক্ষগ্রহণ শুরু হয়েছিলো।
#ব্যবসায়ী আজম জে চৌধুরীর কাছ থেকে ৩ কোটি টাকা চাঁদাবাজি মামলাঃ বাংলাদেশের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামীলীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ৩ কোটি টাকার চাঁদাবাজির মামলা করেন ব্যবসায়ী আজম জে চৌধুরী। পরবর্তীতে মামলা দায়েরের দেড় বছর পর ও নির্বাচনের ঠিক আগ মুহুর্তে কোনো এক অজানা কারণে তিনি মামলা প্রত্যাহার করেন। এই মামলায় শেখ হাসিনা গ্রেফতারও হয়েছিলেন। এই মামলায় অন্য আসামীদের মধ্যে ছিলেন শেখ হাসিনার ফুপাতো ভাই আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম ও বোন শেখ রেহানা।
ব্যবসায়ী আজম জে চৌধুরী
#কাজী তাজুল ইসলামের কাছ থেকে ৩ কোটি টাকা চাঁদাবাজি মামলাঃ শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ওয়ান-ইলেভেনের সময় ৩ কোটি টাকা চাঁদাবাজির মামলা করেছিলেন কাজী তাজুল ওয়েস্টমন্ট পাওয়ার লিমিটেডের চেয়ারম্যান ব্যবসায়ী কাজী তাজুল ইসলাম। পরবর্তীতে তিনি ট্রাকচাপায় নিহত হন। উল্লেখ্য এই ব্যবসায়ীকে পরিকল্পিতভাবে ট্রাকচাপা দিয়ে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
#ব্যবসায়ী কাজী তাজুল ইসলাম ব্যবসায়ী নুর আলীর কাছ থেকে ৫ কোটি টাকা চাঁদাবাজি মামলাঃ ২০০৭ সালের ১৩ ই জুন ইউনিক গ্রুপের চেয়ারম্যান ব্যবসায়ী নূর আলী ৫ কোটি টাকা চাঁদা নেয়ার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং শেখ সেলিমের বিরুদ্ধে এই মামলা দায়ের করেন।
বাকি গুলো দেখূন এখানে- http://bit.ly/2st1t9s
Повторяем попытку...
Доступные форматы для скачивания:
Скачать видео
-
Информация по загрузке: