রিমান্ড কি? পুলিশ রিমান্ড কি?| রিমান্ড হলে আসামী কি করবে?| রিমান্ড কে চাইতে পারে?| রিমান্ড | Remand
Автор: Advocate Anwar law channel
Загружено: 2023-11-18
Просмотров: 557
Описание:
রিমান্ড কি? রিমান্ড কে চাইতে পারে? রিমান্ড কে মঞ্জুর করেন?| What is Remand? | Remand | রিমান্ড |
রিমান্ডের সংজ্ঞা ও ধরণ এবং এক্ষেত্রে উচ্চ আদালতের সিদ্ধান্ত
এডভোকেট আনোয়ার: রিমান্ড ইংরেজি শব্দ। যার বাংলা অর্থ- আসামিকে পুলিশি হেফাজতে পুনঃপ্রেরণ। আইনি ভাষায় ‘পুলিশ হেফাজতে আটক’। শব্দটি ফৌজদারি মামলার জন্য আসামির ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়। ফৌজদারি কার্যবিধি ১৮৯৮-এর দুটি ধারায় ‘রিমান্ড’ শব্দের কথা উল্লেখ থাকলেও কার্যবিধির কোথাও শব্দটির সংজ্ঞা বা ব্যাখ্যা দেয়া হয়নি। ধারা দুটি হলো- ১৬৭ ও ৩৪৪।
সাধারণ অর্থে রিমান্ড হল কোন আমলযোগ্য অপরাধে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কোন আসামিকে পুলিশি হেফাজতে আটক রাখা। যাকে আটক করা হয়েছে তাকে সন্দেহের ভিত্তিতেও আটক করা যেতে পারে। ফৌজদারী কার্যবিধিতে রিমান্ড শব্দের ব্যবহার নেই, Detention বা আটক ব্যবহার করা হয়েছে।
জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গ্রেফতার করে ২৪ ঘন্টা আটক রাখা যাবে। তারপর আটককৃত ব্যক্তিকে ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট হাজির করতে হয়। ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট যদি প্রমাণিত হয় আটককৃত ব্যক্তি নির্দোষ তবে ম্যাজিস্ট্রেট তাকে মুক্তি দিবেন। যদি প্রমাণ হয় আটককৃত ব্যক্তি অপরাধী বা আরও তথ্য উদঘাটন প্রয়োজন আছে তবে তিনি রিমান্ডের সময় বাড়াতে পারেন।
তবে সময় ১৫ দিনের বেশি হবে না। আর রিমান্ডে মারধোর করার কোন বিধান নাই। ফৌজদারী কার্যবিধি ১৮৯৮ এর ১৬৭ ধারার অধীনে ইনভেস্টিগেশন অফিসার এই অবেদন করবে।
যেসব কারণে রিমান্ডে নেয়া যায় –
★ যদি কোনো মামলায় প্রকৃত আসামীর পরিচয় না থাকে, সংশ্লিষ্ট ঘটনায় জড়িত থাকতে পারে এমন কাউকে রিমান্ড চাইলে।
★ কোনো মামলায় অনেক আসামী রয়েছে তাদের মধ্যে একজনকে পাওয়া গেলে অন্য আসামীদের সম্পর্কে খোঁজ নিতে।
★ অনেক ক্ষেত্রে ঘটনার উৎস মামলায় উল্লেখ থাকে না, আসামী গ্রেফতারের পর ঘটনার উৎস জানার জন্য।
★ অনেক মামলায় ঘটনার ক্লু উদঘাটনের জন্য সংশ্লিষ্ট আসামীকে রিমান্ড মঞ্জুর করেন ম্যাজিস্ট্রেটরা।
রিমান্ড মঞ্জুরের সময় সতর্কতার সঙ্গে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেয়া হয়। পুলিশ ‘হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ’ উদ্দেশ্য করেই লিখছি। ফৌজদারী কার্যবিধির ৬১ ধারায় বলা হয়েছে, গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে ২৪ ঘন্টার বেশী সময় আটক করে রাখা যাবে না। তবে ১৬৭ ধারায় ম্যাজিস্ট্রেটের বিশেষ আদেশ আছে কিনা তা দেখতে হবে।
আটককৃত ব্যক্তির কিছু সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে, মৌলিক অধিকার অংশে৷ অনুচ্ছেদ ৩৩, গ্রেফতার ও আটক সম্পর্কে সেফগার্ডস দেয়। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে যথাসম্ভব শীঘ্র, গ্রেফতারের কারণ না জানিয়ে আটক করে রাখা যাবে না।
১। আটকাদেশ (ডিটেনশন) দেয়ার জন্য পুলিশ কাউকে ৫৪ ধারায় গ্রেফতার করতে পারবে না।
২। কাউকে গ্রেফতার দেখানোর সময় পুলিশ তার পরিচয়পত্র দেখাতে বাধ্য থাকবে।
৩। গ্রেফতারের কারণ একটি পৃথক নথিতে পুলিশকে লিখতে হবে।
৪। গ্রেফতারকৃতদের শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকলে তার কারণ লিখে তাকে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ডাক্তারি সনদ আনবে পুলিশ।
৫। গ্রেফতারের তিন ঘণ্টার মধ্যে গ্রেফতারের কারণ জানাতে হবে পুলিশকে।
৬। বাসা বা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য কোনো স্থান থেকে যদি কাউকে আটক করা হয় তাহলে আটক ব্যক্তির নিকট আত্মীয়কে এক ঘণ্টার মধ্যে টেলিফোন বা বিশেষ বার্তাবাহকের মাধ্যমে বিষয়টি জানাতে হবে।
৭। আটক ব্যক্তিকে তার পছন্দসই আইনজীবী ও নিকটাত্মীয়ের সঙ্গে পরামর্শ করতে দিতে হবে।
৮। জিজ্ঞাসাবাদের (রিমান্ড) প্রয়োজন হলে ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশক্রমে কারাগারের কাঁচনির্মিত বিশেষ কক্ষে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। কক্ষের বাইরে তার আইনজীবী ও নিকটাত্মীয় থাকতে পারবেন।
৯। কারাগারে জিজ্ঞাসাবাদে প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া না গেলে তদন্তকারী কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশক্রমে সর্বোচ্চ তিনদিন পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবেন। তবে এক্ষেত্রে উপযুক্ত কারণ থাকতে হবে।
১০। জিজ্ঞাসাবাদের আগে ও পরে ঐ ব্যক্তির ডাক্তারি পরীক্ষা করতে হবে।
১১। পুলিশ হেফাজতে নির্যাতনের অভিযোগ উঠলে ম্যাজিস্ট্রেট সঙ্গে সঙ্গে মেডিকেল বোর্ড গঠন করবেন। বোর্ড যদি বলে, ঐ ব্যক্তির ওপর নির্যাতন করা হয়েছে তাহলে পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ম্যাজিস্ট্রেট ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন এবং তাকে দণ্ডবিধির ৩৩০ ধারায় অভিযুক্ত করা হবে।
১২। পুলিশ হেফাজতে বা কারাগারে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি মারা গেলে সঙ্গে সঙ্গে নিকটস্থ ম্যাজিস্ট্রেটকে জানাতে হবে।
১৩। পুলিশ বা কারা হেফাজতে কেউ মারা গেলে ম্যাজিস্ট্রেট সঙ্গে সঙ্গে তা তদন্তের ব্যবস্থা করবেন। মৃত ব্যক্তির ময়নাতদন্ত করা হবে। ময়নাতদন্তে বা তদন্তে যদি মনে হয়, ঐ ব্যক্তি কারা বা পুলিশ হেফাজতে মারা গেছে তাহলে ম্যাজিস্ট্রেট মৃত ব্যক্তির আত্মীয়ের অভিযোগের প্রেক্ষিতে তা তদন্তের নির্দেশ দিবেন।
এই ১৩ দফাই হলো রিমান্ডের ব্যাপারে হাইকোর্টের স্পষ্ট নির্দেশনা। এসব নির্দেশনা সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে চ্যালেঞ্জ হয়নি, অথবা আপিল বিভাগ এসব নির্দেশনা বাতিল বা সংশোধন করেনি। সুতরাং সন্দেহাতীতভাবে এই ১৩ দফাই হলো আজ পর্যন্ত বহাল রিমান্ডের নির্দেশনা।
উচ্চ আদালতের নির্দেশনার মধ্যে রয়েছে- আটক ব্যক্তির শরীরে আঘাতের চিহ্ন থাকলে পুলিশ তার কারণ লিখে তাকে হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে ডাক্তারি সনদ আনবে। আটক ব্যক্তিকে পুনরায় জিজ্ঞাসাবাদের (রিমান্ড) প্রয়োজন হলে ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশক্রমে কারাগারের অভ্যন্তরে স্বচ্ছ কাচনির্মিত বিশেষ কক্ষে জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে।
তদন্তকারী কর্মকর্তা ম্যাজিস্ট্রেটের আদেশক্রমে সর্বোচ্চ তিন দিন পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবেন; কিন্তু অনেক সময় আটক ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিন বা এরও চেয়ে বেশি রিমান্ডের আবেদন জানানো হয়। আবার আদালত তা মঞ্জুরও করেন ।কিন্তু বর্তমান সময়ে কথা হচ্ছে, এইগুলা শুধু পুস্তকেই লিপিবদ্ধ। পুলিশ তার নিজের গতিতে চলতেছে আর আইন চলতেছে মানুষের গতিতে।
#রিমান্ড
#Remand
#পুলিশ
#পুলিশেররিমান্ড
#পুলিশরিমান্ড
#policeremand
#advocateanwarlawchannel
Contact No:
01716-091430
01939480972
Повторяем попытку...
Доступные форматы для скачивания:
Скачать видео
-
Информация по загрузке: