এটিএম বসানোর নাম করে ১২ লক্ষ টাকা প্রতারণা, দুই মহিলা সহ গ্রেফতার তিন
Автор: Durgapur Barta
Загружено: 2024-07-25
Просмотров: 496
Описание:
নিজস্ব সংবাদদাতা আসানসোল
এটিএম বসানোর করে ১২ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়ে প্রতারণা করার অভিযোগ উঠলো এক প্রতারণা চক্রের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় চক্রের মুল পান্ডা বা মাস্টার মাইন্ড সহ তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধৃতদের মধ্যে দুজন মহিলা আছে। একটি কল সেন্টারের আড়ালে চলছিল এই প্রতারণা চক্র। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে ৪০টি মোবাইল ফোন ও একটি ল্যাপটপ। এছাড়াও পাওয়া গেছে একাধিক খাতা। যাতে স্ক্রিপ্ট ও প্রচুর লোকের নাম মোবাইল নম্বর পাওয়া গেছে। হাওড়ার মধ্যমগ্রামে এই কল সেন্টারটি চলছিল। ধৃতরা হলো শুভঙ্কর ব্রহ্মচারী, মানসী পাল ও মৌসুমী হাতি। মানসী শুভঙ্করের স্ত্রী। এটিএম বসানোর নামে টাকা হাতিয়ে প্রতারণা করা হয়েছে, এমন একটি অভিযোগ পাওয়ার পরেই তদন্তে নেমে এই চক্রের পর্দা ফাঁস করেছে আসানসোল দূর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের বারাবনি থানার পুলিশ।
বৃহস্পতিবার বারাবনি থানায় এক সাংবাদিক সম্মেলনে গোটা বিষয়টি জানান আসানসোল দূর্গাপুর পুলিশের ডিসিপি (পশ্চিম) সন্দীপ কররা। তিনি আরো বলেন, বেশ কিছু দিন আগে এটিএম বসানোর নামে ১২ লক্ষ টাকা প্রতারণার একটি অভিযোগ দায়ের করেছিলেন বারাবনি থানার পানুরিয়া গ্রামের বাসিন্দা চিন্তামণি চর। ঘটনার তদন্তে নেমে হাওড়ার মধ্যমগ্রাম ও বাঁশদ্রোনি এলাকায় অভিযান চালিয়ে তিন জনকে গ্রেফতার করে বারাবনি থানা পুলিশ। তাদের কাছ থেকে ৪০টি মোবাইল ফোন ও একটি ল্যাপটপ উদ্ধার করা হয়েছে।
ডিসিপি (পশ্চিম) সন্দীপ কররা ছাড়াও এসিপি ( হিরাপুর) ঈপ্সিতা দত্ত, বারাবনি থানার অফিসার ইনচার্জ বা ওসি মনোরঞ্জন মণ্ডল এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে ছিলেন।
তারা বলেন, মধ্যমগ্রামে একটি কল সেন্টারের আড়ালে এই সাইবার জালিয়াতি বা প্রতারণা চক্র চলছিল। যেখান থেকে এটিএম ও মোবাইল টাওয়ার বসানো, ব্যাঙ্ক থেকে লোন পাইয়ে দেওয়া সহ অনেক কিছু পাইয়ে দেওয়ার নাম করে প্রলোভন দেখিয়ে মানুষদেরকে ফোন করা হতো। তারজন্য কল সেন্টারে অনেক ছেলেমেয়ে কাজ করতো। তাদেরকে রীতিমতো ইন্টারভিউ নিয়ে কাজে নেওয়া হয়েছিলো। সেই সংখ্যাটা কমবেশি ৩৫ থেকে ৪০। ফোন করে কিভাবে কথা বলে মানুষদেরকে ফাঁসাতে হবে, তার স্ক্রিপ্ট তৈরি করা ছিলো। সেই রকম ভাবে কল সেন্টার থেকে ছেলেমেয়ে ফোনে কথা বলতো। এই চক্রের মূল পরিকল্পনাকারী বা মাস্টার মাইন্ড হলো শুভঙ্কর ব্রহ্মচারী। দুই চক্রী দুই মহিলার মধ্যে মানসী পাল শুভঙ্করের স্ত্রী। মৌসুমী হাতি এদের সহযোগী। মাস্টার মাইন্ডের বাড়ি বাঁশদ্রোণী থানা এলাকায়। তাদের কল সেন্টারটি ছিল মধ্যমগ্রাম এলাকায়।
ডিসিপি (পশ্চিম) বলেন, এটি সংঘটিত অপরাধ বা অর্গানাইজড ক্রাইম। আমরা অনেক কিছু পেয়েছি। তা সবকিছু তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। এই চক্র কতদিন ধরে কাজ করছে ও তা কতদূর ছড়িয়েছে তাও দেখা হচ্ছে। ধৃতদের কাছ থেকে আমরা কোন নগদ টাকা পাইনি। মনে করা হচ্ছে, তা ব্যাঙ্কে আছে। যে কারণে আমরা ব্যাঙ্কের একাউন্ট নম্বর নিয়ে ব্যাঙ্ককে চিঠি দেওয়া হবে। সেইসব একাউন্ট সিজ করা হবে।
ধৃতদেরকে এদিনই আসানসোল আদালতে পেশ করে বারাবনি থানার পুলিশের তরফে ১৪ দিনের হেফাজত চাওয়া হয়েছে।
Повторяем попытку...
Доступные форматы для скачивания:
Скачать видео
-
Информация по загрузке: