হন্টেড হাউস | শুভময় চক্রবর্তী | শেষ পর্ব | ভৌতিক রহস্য
Автор: ভৌতিক রহস্য
Загружено: 2026-02-24
Просмотров: 51
Описание:
হন্টেড হাউস | শুভময় চক্রবর্তী | শেষ পর্ব | ভৌতিক রহস্য #horror #story
: রহস্যময় যাত্রা (পার্ট ২)
রনিতার আঙুলের ইশারায় জঙ্গলঘেরা অন্ধকারের দিকে তাকাতেই তিন বন্ধুর রক্ত হিম হয়ে গেল। সেখানে কোনো সাধারণ ছায়া নয়, বরং কুয়াশার আড়াল থেকে জেগে আছে এক প্রকাণ্ড রাজমহল। শ্যাওলা ধরা দেওয়াল আর প্রাচীন স্থাপত্যের সেই অট্টালিকা যেন কোনো এক অভিশপ্ত ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
রাজমহলের নিষিদ্ধ হাতছানি
ভয়ে ভয়ে তারা যখন মহলের সদর দরজার সামনে দাঁড়াল, কোনো আওয়াজ ছাড়াই ভারী লোহার গেটটা ক্যাঁচক্যাঁচ শব্দে খুলে গেল। যেন কেউ তাদের অপেক্ষাতেই ছিল! ভেতরে পা রাখতেই দেখা হলো রামুর সাথে—বিবর্ণ চেহারার এক পরিচারক। সে তাদের থাকার ঘর দেখিয়ে দিতে দিতে সতর্ক
"মনে রাখবেন, ভুলেও এই মহলের দক্ষিণ দিকের ঘরে যাবেন না। ওদিকের ছায়াও মাড়াবেন না!"
রহস্যময় ডিনার ও অদ্ভুত আচরণ
ঘরে এসে বসতে না বসতেই দরজায় কড়া নাড়ল হোটেলের পাচক। অদ্ভুত চাউনি তার। রনিতা আর রাজের জন্য গরম গরম লুচি-আলুর দম আর শরবতের অর্ডার নেওয়া হলো, আর রোহিত চাইল চাওমিন। কিছুক্ষণ পর খাবার নিয়ে ফিরে এসে পাচক অদ্ভুত উচ্চারণে বলল, "এই নিন আপনাদের লুইসি-আইলুর দম আর সইটো বাবুর জন্য চাউমিন এনেছি... আসি তাহলে!" তার চলে যাওয়ার ভঙ্গি আর কথা বলার ধরন তিন বন্ধুকে বেশ অস্বস্তিতে ফেলে দিল।
রাত বাড়ার সাথে সাথে কৌতূহলও বাড়তে লাগল। রোহিত আর রাজ ভাবল, সবাই ঘুমিয়ে পড়লে একবার দক্ষিণ দিকের সেই নিষিদ্ধ ঘরের দরজাটা খুলেই দেখা যাক না কী আছে! কিন্তু দরজা খোলা মাত্রই একঝাঁক বাদুড় ডানা ঝাপটিয়ে তাদের ওপর দিয়ে বেরিয়ে গেল। ঘর থেকে ভেসে এল এক পচা গন্ধ। তখনই হঠাৎ পাশের ঘর থেকে রাজের গগনভেদী চিৎকার শোনা গেল— "আআআআআ!"
ছুটে গিয়ে তারা দেখল রাজের সামনে রাখা সব খাবার ওলটপালট হয়ে পড়ে আছে। রাজ থরথর করে কাঁপছে। সে শুধু বলল, "কিছু একটা হয়েছিল এখানে... খাবারগুলো কেমন যেন অদ্ভুত হয়ে গেছে!" ঠিক তখনই রোহিতের ফোনে একটি অজানা নম্বর থেকে কল এল। ফোন ধরতেই ওপাশ থেকে অশরীরী অট্টহাসি ভেসে এল— "হাঃ হাঃ হাঃ! তোরা ভয় পাস না... শুধু দেখ কী হয়!"
সেই বিভীষিকাময় রাত
সারা রাত মোমবাতি বারবার নিভে যাচ্ছিল। রাজ বারবার উঠে মোমবাতি জ্বালাচ্ছিল আর বিড়বিড় করছিল, "দেখ, মোমবাতিটা আবার নেমে গেল!" যেন অন্ধকারের ভেতর থেকে কেউ ফুঁ দিয়ে আলো নিভিয়ে দিচ্ছে।
সকালে ঘুম ভাঙতেই বড় ধাক্কা! রনিতা ঘরে নেই। রাজ আর রোহিত পাগলের মতো খুঁজতে খুঁজতে মহলের ধারের এক ঝরনার পাড়ে রনিতাকে অচৈতন্য অবস্থায় খুঁজে পেল। চোখে-মুখে জল দিতেই সে অদ্ভুত চোখে তাকাল। তার সাথে রাতে কী হয়েছিল, সে কথা যেন তার স্মৃতি থেকে মুছে গেছে।
আর এক মুহূর্ত দেরি না করে তারা গাড়িতে গিয়ে উঠল। রাজ যখন টাকা দিতে যেতে চাইল, রনিতা আর্তনাদ করে উঠল, "টাকা দিতে হবে না, তুই আগে আয়! এখান থেকে পালা!" রাজ দ্রুত সিটবেল্ট বেঁধে গাড়ি স্টার্ট দিল। ধুলো উড়িয়ে তারা সেই অভিশপ্ত জঙ্গল আর রাজমহল থেকে নিজেদের শহরে ফিরে এল।
তিন বন্ধু কনফারেন্স কলে কথা বলছে। অফিসের ছুটি নিয়ে জল্পনা চলছে। হঠাৎ রোহিত হেসেই বলল, "কিরে রাজ, আবার সেই জঙ্গলে যাবি নাকি?" ফোনের ওপাশ থেকে রাজ আর রনিতা হো হো করে হেসে উঠল ঠিকই, কিন্তু সেই হাসির আড়ালে লুকিয়ে রইল এক গভীর অস্বস্তি। কারণ তারা কেউই জানে না, গত বছর সেই রাজমহল থেকে ফেরার সময় তাদের সাথে অলক্ষ্যে আরও কেউ শহরে চলে এসেছে কি না... অথবা সেই কলটি আজও কেন তাদের মাঝেমধ্যে গভীর রাতে বেজে ওঠে
#HauntedHouse
#MysteryJourney
#HorrorStory
#BengaliHorror
#Supernatural
#GhostStory
#MysteryThriller
#SpookyNight
#UrbanLegend
#ParanormalActivity
#ThrillerShortStory
Повторяем попытку...
Доступные форматы для скачивания:
Скачать видео
-
Информация по загрузке: