ত্রিকালদর্শী শ্রী শ্রী লোকনাথ বাবার বারদী আগমন
Автор: Tilok Fota
Загружено: 2023-06-02
Просмотров: 42836
Описание:
|| ত্রিকালদর্শী শ্রী শ্রী লোকনাথ বাবার বারদী আগমন ||
লোকনাথ বাবার বারদী আসা নিয়েও আছে গল্প। সীতাকুন্ডু থেকে বাবা লোকনাথ চলে আসেন দাউদকান্দি। এখানেই পরিচয় হয় বারদী নিবাসী - ডেঙ্গু কর্মকারের সাথে। তিনি জোর করে বাবাকে নিয়ে আসেন বারদী।
বাবা লোকনাথ বলেছিলেন, "ডেঙ্গু তুই আমাকে নিয়ে যেতে চাইছিস, আমি তোর সাথে যেতে প্রস্তুত, কিন্তু এই লেংটা পাগলাকে তুই কিভাবে ঘরে রাখবি। লোকে তোকে ছি ছি করবে। সহ্য করতে পারবি। ভেবে দেখ ?" ডেঙ্গু উত্তরে বলেছিলেন "আমি কিছু বুঝি না, আপনাকে আমার সাথে যেতে হবে। লোকে যা বলে বলুক। শুধু আপনি কথা দেন - বারদী ছেড়ে কোথাও যাবেন না"।
ডেঙ্গুর সাথে বাবা লোকনাথ চলে আসেন বারদী। ছোট ছোট ছেলেরা বাবাকে পাগল ভেবে; পাথর মারতে থাকে। ডেঙ্গুর পরিবারে বাবাকে নিয়ে শুরু হয় অশান্তি। বারদীর ধনী জমিদার নাগ-পরিবার; তারা বাবাকে তাদের বাড়িতে নিয়ে আসার চেষ্টা করেন। কিন্তু বাবা থাকার জায়গা বেছে নেন ছাওয়াল বাঘিনীর নদীর পাড়ের শ্মশানভূমি।
ঘন জঙ্গলে ঘেরা এই শ্মশানভূমি। দিনের বেলায় গ্রামের মানুষ যেতে ভয় পেত। এইখানেই বাবা নিজ হাতে নিজের জন্য তৈরি করেন কুটির। যা আজ সারা বিশ্বের বাবা লোকনাথ ভক্তদের কাছে এক মহান তীর্থভূমি।
লক্ষ লক্ষ মানুষের সমাগম হয় এই পূণ্যভূমিতে। কেঁদে, মাটিতে গড়াগড়ি খেতে খেতে অসংখ্য মানুষ নিজেদের দুঃখের কথা জানায় বাবা লোকনাথের কাছে।
বাবা বলতেন -"ওরা বড় দুঃখী, ওরা বড় অসহায়। ছোট ছোট ওদের চাওয়া গুলো পূরণ করে দেওয়ার কেউ নেই,তাই তো ওরা আমার আছে ছুটে আসে ওদের দুঃখের কথা কষ্টের কথা আমাকে বলতে।
ওদের দুঃখের কথা আমি শুনি বলেই আমার কাছে ওদের যত আবদার, অধিকার। সংসারের কঠিন পথ চলতে চলতে ওরা ক্ষতবিক্ষত ওদের বিশ্বাস আমিই ওদের দুঃখ দূর করে দিতে পারি।
মহাপ্রয়াণের কয়েকদিন আগে ভক্তদের কাছে প্রশ্ন করে বসেন, "বল দেখি, দেহ পতন হলে কিরূপ সত্কার হওয়া ভাল? এবং ভক্তদের অগ্নি দ্বারা দগ্ধ করার নির্দেশ দান করেন।
বাবা লোকনাথ ১৯শে জ্যৈষ্ঠে দেহ ত্যাগ করবেন বলে ইচ্ছা প্রকাশ করেন। সেবার ১৯শে জ্যৈষ্ঠ ছিল রবিবার; সকাল হতে হাজার ভক্তের সমাগম হয় বারদীর আশ্রমে। দুঃখভারাক্রান্ত মনে গোয়ালিনী মা বাল্যভোগ তৈরি করে নিজ হাতে খাইয়ে দেন লোকনাথ বাবাকে।
ভক্তদের কান্না শুনে ঘর থেকে বেরিয়ে বাবা বলেন "ওরে তোরা এত চিন্তায় কাতর হছিস কেন? আমি কি মরে যাব। কেবল এই জীর্ণ পুরাতন শরীরটা পাত হবে কিন্তু আমি আছি যেমন তোমাদের মাঝে ছিলাম ঠিক তেমনই তোদের কাছেই থাকবো।
আমার মৃত্যু নেই। তোরা ভক্তি বিশ্বাস নিয়ে আমাকে একটু আদর করে ডাকলে দেখবি আমি তোদের কত কাছকাছি আছি এখনও শুনছি, তখনও শুনব। এ কথা মিথ্যা হবে না।
সকল ভক্তদের খাবার গ্রহনের নির্দেশ দিয়ে তিনি আসন গ্রহন করেন। সময় সকাল ১১.৪৫ বেশ কিছুক্ষণ পর বাবার আর কোন নাড়াচড়া না দেখে ভক্তগণ কান্নায় ভেঙে পড়েন। বোঝার আর বাকি থাকে না বারদীর প্রাণপুরুষ আর নেই, শোকের ছায়া নেমে আসে বারদী আশ্রমে। সমবেত কন্ঠে তখন উচ্চারিত হয় জয় বাবা লোকনাথ- জয় বারদীর ব্রহ্মচারী।
বাবা লোকনাথের স্মরণীয় উক্তি:
"রনে বনে জলে জঙ্গলে যখন বিপদে পরিবে আমাকে স্মরণ করিও আমিই রক্ষা করিব"।
আমার চরণ ধরিস না, আচরণ ধর।
সত্য এর মত পবিত্র আর কিছু নেই, সত্যিই স্বর্গ গমন এর একমাত্র সোপান রূপ সন্দেহ নেই।
দীন দরিদ্র অসহায় মানুষের হাতে যখন যা দিবি তা আমিই পাব আমি গ্রহণ করবো দরিদ্রতায় ভরা সমাজের দুঃখ দূর করার চেষ্টা করবি।
🙏 "জয় বাবা লোকনাথ" 🙏
® তিলক ফোটা
Повторяем попытку...
Доступные форматы для скачивания:
Скачать видео
-
Информация по загрузке: