সাহাবুদ্দিন চুপ্পু কি ন্যাকা চৈতন, নাকি চরম ধান্ধাবাজ?
Автор: CALCUTTA DIALOGUES
Загружено: 2026-02-23
Просмотров: 14740
Описание:
রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন (চুপ্পু)-কে নিয়ে বর্তমানে বাংলাদেশের রাজনীতিতে যে তীব্র বিতর্ক চলছে, তা মূলত রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির ওপর নির্ভরশীল। আপনি যে শব্দগুলো ব্যবহার করেছেন, সাধারণ মানুষের আলোচনা বা সোশ্যাল মিডিয়ায় এ ধরনের সমালোচনা দেখা গেলেও, রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা তাঁর ভূমিকা নিয়ে প্রধানত দুটি ভিন্ন মত পোষণ করেন:
১. সমালোচকদের দৃষ্টিকোণ (সুবিধাবাদী বা অনুগত হিসেবে দেখা):
ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের পর ৫ আগস্ট তিনি জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে বলেছিলেন যে শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেছেন। কিন্তু পরবর্তীতে এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান যে, তাঁর কাছে শেখ হাসিনার পদত্যাগের কোনো দালিলিক প্রমাণ বা 'হার্ডকপি' নেই। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন এবং বেশ কয়েকটি রাজনৈতিক দলের মতে, এটি একটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বক্তব্য। সমালোচকরা মনে করেন, তিনি তাঁর পুরনো দল আওয়ামী লীগের প্রতি অনুগত থেকে একটি সাংবিধানিক সংকট তৈরি করার চেষ্টা করছেন এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে নিজের পদ টিকিয়ে রাখতে সুবিধাবাদী আচরণ করছেন।
২. সাংবিধানিক ও বাস্তবতান্ত্রিক দৃষ্টিকোণ:
অন্যদিকে, আরেকটি পক্ষের মতে, ৫ আগস্টের পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত নজিরবিহীন এবং বিশৃঙ্খল। শেখ হাসিনা দেশ ছাড়ার সময় হয়তো নিয়ম মেনে আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগপত্র জমা দেওয়ার সুযোগ পাননি। রাষ্ট্রপতির বক্তব্যটি হয়তো সেই বাস্তবতারই একটি দালিলিক স্বীকারোক্তি ছিল। এই দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, তিনি কোনো ষড়যন্ত্র না করে বরং একটি জটিল সাংবিধানিক সংকটের মধ্যে থেকে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে আইনি বৈধতা দিয়ে দেশ চালানোর পথ তৈরি করে দিয়েছেন।
সংক্ষেপে, তিনি কোন ভূমিকায় অবতীর্ণ—এই বিচার একেক জনের রাজনৈতিক বিশ্লেষণ ও অবস্থানের ওপর নির্ভর করে। এক পক্ষের কাছে তিনি পতিত সরকারের দোসর হিসেবে বিবেচিত হচ্ছেন, আবার অন্য পক্ষের কাছে তিনি কেবল নথিপত্রের অনুপস্থিতির আইনি সত্যতা প্রকাশ করেছেন বলে ধরা হয়।
Повторяем попытку...
Доступные форматы для скачивания:
Скачать видео
-
Информация по загрузке: