ফাইনাল লিস্ট বের হবে ২৮ তারিখ। শুনানি শেষ। কিন্তু তারপরেও আপিল করা যাবে, সংযোজন চলবে।
Автор: বাংলা বাজার BANGLA BAZAR
Загружено: 2026-02-16
Просмотров: 21188
Описание: আগেরবারে মৃত, স্থানান্তরিত না নো ম্যাপিং এর আওতাতে এল মতুয়ারা, রাজবংশীরা, কলকাতা হাওড়া হুগলি শিল্পাঞ্চলের হিন্দিভাসিরা, আদিবাসীরা। কিন্তু এবার লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সির বিরাট তালিকা দেড় কোটির আর তাতে কাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা? যাঁরা এদেশের সংখ্যালঘু তাঁরা এই লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সির মূল তার্গেট, এর আগের দিন সেই হিসেব দিয়েছিলাম। এখন সেই ঝাড়াই বাছার করা পরে শুনানি শেষ আর প্রাথমিক রিপোর্ট কী পাওয়া যাচ্ছে? অনুপস্থিত, মানে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সির নোটিসে অনুপস্থিত থাকলেন ৪ লক্ষ ৯৮ হাজার, মানে ১ কোটি ৪৩ লক্ষের মত নোটিস পাওয়া মানুষ হাজিরা দিয়েছেন আর তারমধ্যে থেকে মাত্র ১ লক্ষ ৬৩ হাজারের ডকুমেন্ট ঠিক নেই বা অসম্পুর্ণ বলে জানিয়েছে ইলেকশন কমিশন। তো এঁরা কী করবেন? এঁরা আবার ডকুমেন্ট নিয়ে যাবেন আর তাঁদের ডকুমেন্ট দেখতে হবে, মানে অন্তত তিনটে আপিলের জায়গা আছে, তারপর আদালত। সে কথায় পরে আসছি। নিশ্চিতভাবে জানুন, যাঁরা হাজির হন নি, তাঁদের এক অংশ আবার দলিল কাগজ নিয়ে হাজিরা দেবেন, কারণ এই পর্যায়ের শুনানি বন্ধ হলেও আপিলের কাজ চলবে, ৬ নম্বর ফর্মের অপশন তো খোলাই আছে। তাহলে শেষমেষ হিসেব অটা কত? ৫৮ লক্ষ প্লাস ৫ লক্ষ, মানে ৬৩ লক্ষ। কিন্তু এখানেই তো থেমে থাকবে না, আগেই বলেছি ৫৮ লক্ষের মধ্যে প্রায় ১৩/১৪ লক্ষ আপিলে যাবেন বা স্থানান্তরিত হয়ে আবার জুড়বেন। আর এই লজিক্যাল ডিস্ক্রিপেন্সিতে বাদ পড়া লোকজনেরও এক অংশ তালিকাতে ফিরে আসবেন। এবং এখানেই শেষ নয়, ফাইনাল ভোটার লিস্ট বের হবে ২৮ তারিখে। ধরুন কারোর নাম বাদ গেছে, তার মানে কি তিনি আর ভোট দিতেই পারবেন না? না একেবারেই নয়, প্রথমত এই ভোটার তালিকা বের হলেই যে অঞ্চলে গণহারে নাম বাদ পড়েছে বা একসঙ্গে বেশ কিছু নাম বাদ পড়েছে, সেগুলো নিয়ে রাস্তায় থাকবে রাজনৈতিক দল, বিভিন্ন সংগঠন। এবং তাদের সাহায্য ছারাও অনলাইনে ফর্ম সিক্স ভরবেন, তার শুনানির ডাক দেবে ইলেকশন কমিশন। কতদিন পর্যন্ত? হ্যাঁ এটা জরুরি ব্যাপার। ২৮ তারিখ একটা ফাইনাল ভোতার লিস্ট দেবে নির্বাচন কমিশন, কিন্তু তার অপরেও সংযোজন সংমার্জন চলতে থাকবে। কতদিন? ধরুন আপনার এলাকাতে যেই দফায় ভোট হবে, সেই দফার ভোটে নমিনেশন ফিলাপের দিন পর্যন্ত স্নগশোধিত তালিকাই হল ফাইনাল ভোটার লিস্ট। কাজেই হাতে সময় আছে, রাজনৈতিক দলের কর্মিদের উচিত ১) যাঁরা নোটিশ পেয়েও আসেন নি বা আসতে পারেন নি, তাঁদের সাহায্য করা। ২) যাঁরা আপিল করতে চান, তাঁদেরকে ফর্ম সিক্কস ফিলাপ করিয়ে আপিলের সুযোগ করে দেওয়া। যে দফায় ভোট, সেই দফার নমিনেশন ফর্ম ফিলাপের শেষ দিন এর মধ্যে যাঁরা ১৮ তে পা দিচ্ছে, সেই কিশোর কিশোরীদের ফর্ম সিক্স ভরে নাম সংযোজনে সাহায্য করা। আর আগেও বলেছি, এখনও আবার বলছি, কারোর সেরকম অসুবিধে হলে কমেন্ট বক্স এ মোবাইল নম্বর দিয়ে অসুবিধেটা লিখে পাঠাবেন, আমি সাহায্য করার চেষ্টা করবো।
Повторяем попытку...
Доступные форматы для скачивания:
Скачать видео
-
Информация по загрузке: