একদিনের ভ্রমণে অপরিমেয় শান্তির তারাপীঠ...
Автор: mrinal buxy
Загружено: 2025-11-23
Просмотров: 1009
Описание:
একদিনের ভ্রমণে অপরিমেয় শান্তির তারাপীঠ
------------------------------------------------------:
Under Section 107 of the Copyright Act 1976, allowance is made for 'Fair Use' for purposes such as criticism, comment, news reporting, teaching, scholarship, and research, Fair use is a permitted by copyright statute that might otherwise be infringing, Non-profit, educational or personal use tips the balance in favour of fair use.
------------------------------------------------------
তারাপীঠ মন্দির — প্রাচীন বঙ্গ তথা রাঢ় বাংলার তথা বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের বীরভূম জেলার রামপুরহাট শহরের কাছে অবস্থিত এক অন্যতম সাধনপীঠ বা সিদ্ধপীঠ।
এখানে দেবী উগ্রতারা শিলারূপে প্রতিষ্ঠিত হওয়ায় এই স্থান পেয়েছে অপরিসীম পবিত্রতা।
নমস্কার, আমি মৃণাল — আপনাদের সবাইকে জানাই মৃণাল বকসী ইউটিউব চ্যানেলে আন্তরিক স্বাগত।
আজকের এই ভিডিওতে আমি আপনাদের নিয়ে চলেছি এক বিশেষ যাত্রায় —
একদিনেই তারাপীঠের মা তারা দর্শনের অভিজ্ঞতা, আর সেই একই দিনে কীভাবে ফিরে এলাম, তার প্রতিটি মুহূর্ত, অনুভূতি ও অভিজ্ঞতা বিস্তারিতভাবে ভাগ করে নেব আপনাদের সঙ্গে।
ভোরের আলো ফোটার আগেই শুরু হল যাত্রা হাওড়া স্টেশনের উদ্দেশ্য সকাল ৬টা ৫ মিনিটে, হাওড়া স্টেশন থেকে রওনা দিলাম গণদেবতা এক্সপ্রেসে তারা মায়ের দর্শনের উদ্দেশ্যে।
ট্রেনে যাত্রা পথে শুধু একটাই অনুভূতি,...জয় মা তারা.... জয় মা তারা ।
সকাল ১০টা। পৌঁছে গেলাম রামপুরহাট স্টেশনে।
স্টেশন থেকে বেরিয়ে অনতিদূরে টোটো স্ট্যান্ড থেকে টোটোয় চেপে চললাম তারাপীঠের তারা মায়ের মন্দিরের পথে। টোটো থেকে নেমে হাঁটা পথে মন্দিরের যাওয়ার পথে রাস্তায় দুপাশের মিষ্টির দোকান, পূজার সামগ্রীর দোকান, পূজার ডালির দোকান , মায়ের ছবি দোকান ফুলের মালা, ধূপের গন্ধ আর অগণিত ভক্তদের ভিড়- মিলেমিশে এক ঐশ্বরিক পরিবেশে মন ভরে উঠল।
সকাল ১১টা - পৌঁছে গেলাম মায়ের মন্দিরে।
মন্দিরে ওঠার সিঁড়ির একদম পাশেই পূজার ডালি দোকানে লাগেজ ব্যাগ রেখে হাত–মুখ ধুয়ে দোকান থেকে পূজার ডালি নিয়ে দাঁড়িয়ে পড়লাম ভক্তদের লাইনে পূজো দেওয়ার উদ্দেশ্য।
ভক্তদের ঢল, ঘণ্টা–ধ্বনির সুরে ভরে উঠেছে পুরো আকাশ বাতাস।
লক্ষ্য করলাম, তারাপীঠ মন্দিরের "জীবন্ত কুণ্ড” বলে পাশে যে পবিত্র পুকুরটি আছে, তার পরিষ্কার ও সংস্কারের কাজের জন্য একদমই জল নেই।
ভক্তের ভিড় এগোচ্ছে ধীরে ধীরে, কিন্তু থেমে নেই।
অপেক্ষা যেন এক ধ্যান। অবশেষে যখন পৌঁছালাম মায়ের গর্ভগৃহে, দেখলাম সেই করুণাময় মুখ —
চোখে যেন আশ্রয়, শান্তি, আর অনন্ত শক্তির ছোঁয়া।
চোখ ভিজে গেল… মন জুড়ে শুধু মায়ের নাম “জয় তারা মা…জয় তারা মা…”
এরপর মন্দির সংলগ্ন অন্যান্য মন্দিরগুলি দর্শন করলাম। মন্দিরগুলি দর্শন পর দেখলাম, ভক্তদের মধ্যে মায়ের ভোগপ্রসাদ বিতরণ চলছিল। মন্দির চাতালে সারি সারি ভক্ত বসে মায়ের প্রসাদ গ্রহণ করছেন।
মন্দিরের এক সেবাইত ভাইয়ের হাত ধরে আমিও পেলাম সেই প্রসাদ - যার প্রতিটি কনায় ছিল মায়ের আশীর্বাদ।
এরপর আমার গন্তব্য মন্দিরের অপর প্রান্তে। যেখানে রয়েছে দ্বারকা নদীর তীরে তারাপীঠ মহাশ্মশান।
এখানেই সাধক বামাক্ষ্যাপা তপস্যা করেছিলেন।
তারাপীঠের ইতিহাস বামাক্ষ্যাপা ছাড়া অসম্পূর্ণ। উনিশ শতকের এই মহান সাধক তাঁর সমগ্র জীবন কাটিয়েছিলেন এখানে মা তারার সান্নিধ্যে। তিনি বিশ্বাস করতেন — মা তারা জীবন্ত, কথা বলেন, সাড়া দেন। তাঁর তপস্যা ও অলৌকিক ঘটনাগুলোই আজও তারাপীঠকে চির জাগ্রত “সাধনক্ষেত্র” করে রেখেছে।
তারাপীঠের শ্মশানের নিস্তব্ধতা যেন কথায় নয় — অনুভবে বোঝা যায় - এক অলৌকিক শান্তি।
এই পবিত্র সাধনাক্ষেত্রে সাক্ষাৎ হল এক সাধুর সঙ্গে। তার কাছ থেকে এই পবিত্রভূমি ও মন্দির নিয়ে অনেক অজানা তথ্য শুনলাম।
এই পবিত্র স্থানে মায়ের চরণচিহ্নে প্রণাম করে ও বামাক্ষ্যাপার সমাধি মন্দিরে প্রণাম করে এক অপার শান্তি অনুভব করলাম। মন বলল — “এই শান্তিই তো মুক্তি।”
এবার বাড়ি ফেরার পালা।
বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটের রামপুরহাট স্টেশন থেকে শহীদ এক্সপ্রেসে চেপে রওনা দিলাম হাওড়ার পথে।
ট্রেন ছুটে চলেছে সূর্যাস্তের রঙে রাঙানো আকাশের নিচে — মন তখনও পড়ে আছে তারাপীঠের তারা মায়ের আশ্রয়ে।
রাত্রি ৮টায় হাওড়া পৌঁছালাম।
তারাপীঠের তারা মায়ের দর্শন —কেবল ভ্রমণ নয় —
এ এক আত্মিক উপলব্ধি, এক পরম শান্তি।
Повторяем попытку...
Доступные форматы для скачивания:
Скачать видео
-
Информация по загрузке: